আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা)’র ওলামা কাউন্সিল প্রধান মৌলভী মুফতি জকোরিয়া (৫৫) কে গ্রেপ্তার করেছে কক্সবাজার-১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
তিনি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের প্রধান ফতোয়াদাতা ছিলেন বলে জানা গেছে।
শনিবার (৫ মার্চ) সকাল পৌনে ৭টার দিকে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্প পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ের শীর্ষ নেতা আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যানিটির তৎকালীন প্রধান নিহত মাস্টার মহিবুল্লাহর সাথে তার মতবিরোধ ছিল। মহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর ক্যাম্প এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হলে জকোরিয়া আত্মগোপনে চলে যায়।
কিন্তু তাকে ধরার জন্য ১৪ এপিবিএন দীর্ঘদিন গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। দীর্ঘ চার মাস প্রচেষ্টার পর ১৪ এপিবিএনের লম্বাশিয়া ক্যাম্প পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তাকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুষ্কৃতিকারীদের মদদদাতাদের শীর্ষ পরামর্শক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
আজ রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক (এসপি) নাইমুল হক (পিপিএম)। তিনি বলেন, জকোরিয়ার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক পুলিশ সুপার নাঈমুল হক জানান : জকোরিয়া কুতুপালং ক্যাম্প-১ ইস্ট ডি/৮ ব্লকের আব্দুল করিমের ছেলে। এছাড়া তিনি আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস এন্ড হিউম্যানিটির (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ও আরসা ওলামা শাখার প্রধান কমান্ডার।
কক্সবাজারের উখিয়া থানার ওসি তদন্ত গাজি সালাহ উদ্দিন জানান: এপিবিএন’র হাতে আটক রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার ফতোয়াদাতা এবং কথিত আরসার ওলামা শাখার প্রধান কমান্ডার জকোরিয়াকে (৫৫) কে ৫দিনের রিমান্ড নেয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছে পুলিশ।
তিনি আরও জানান: রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪জন আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছেন।








