রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর চালানো মানবতাবিরোধী অপরাধের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই গণহত্যার জাবাবদিহিতার পাশাপাশি জড়িতদের বিচারে পাশে থাকার কথা জানিয়েছে।
বুধবার বাংলাদেশে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
জাতিগত নিধনের জন্য নির্বিচার হত্যা, গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে ছাই করে দেয়া, শিশু নির্যাতন ও হত্যা, দলবদ্ধ ধর্ষণ – জাতিসংঘের নিজস্ব অনুসন্ধানে মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর এসব নির্যাতনের তথ্য পাওয়ার দাবি করা হয়।
ওই তদন্ত প্রতিবেদনে সংস্থাটি অভিযোগ করে, গত বছরের আগস্টে মিয়ানমারে ‘আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ভয়াবহতম সব অপরাধ’ সংঘটিত হয়েছে। রাখাইন রাজ্যে মানবতারবিরোধী এমনকি যুদ্ধপরাধের মত অত্যাচার চালানো হয়েছে। রাখাইন রাজ্যে চালানো গণহত্যা তদন্ত করতে সকল ধরনের তথ্য, প্রমাণ মিলেছে ওই তদন্ত প্রতিবেদনে।
অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের দায়ে মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপে জাতিসংঘের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনকে বিবেচনা করবে।
আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে প্রাপ্ত প্রমাণাদির ভিত্তিতে কমিশনকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।
ওই প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুসারে মিয়ানমারকে জাবাবদিহিতা করা ও বিচারের জন্য নেয়া বিশ্বের সকল পদক্ষেপকে অস্ট্রেলিয়া সরকার সমর্থন করবে।
অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মিয়ানমারে চলমান পাঁচ-দশকের সেনা-সমর্থিত সরকারকে প্রত্যাহার করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জাতীয় শান্তি প্রতিষ্ঠায় অস্ট্রেলিয়া সরকার কাজ করে যাচ্ছে।







