স্ট্রবেরিতে সুই পাওয়ার ঘটনায় অস্ট্রেলিয়া জুড়ে তোলপাড় হওয়ার পর ওই ঘটনার নৈপথ্যে থাকা এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।
ডেইলি মেইল জানিয়েছে, কিছুটা তামাশার ছলেই নাকি ওই কিশোর সেই কাজ করে।
তবে অস্ট্রেলিয়ার নিউজ সাউথ ওয়ালস পুলিশ (এনএসডিব্লিউ) কর্তৃপক্ষ বুধবার দুপুরের মধ্যে কিশোরকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে সেই সময় পার হওয়ার আগেই তাকে আটক করা হয়।
সহকারী পুলিশ কমিশনার স্টুয়ার্ট স্মিথ বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছিল। আমরা যখন অস্ট্রেলিয়া জুড়ে স্ট্রব্রেরিতে ‘সুই’ লুকানো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেই, তখনই সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
বর্তমান রাষ্ট্রীয় আইন অনুসারে এনএসডাব্লিউ অপরাধীদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়ার বিধান করা হয়েছে। কিন্তু এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে স্মিথ বলেছে, যেহেতু সে কিশোর অপরাধ করেছে তাই তার বিষয়ে আইনের ব্যবস্থা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি।
তবে ওই ব্যক্তিকে খুঁজতে প্রায় ১ লাখ ডলার পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল এনএসডিব্লিউ।
এর আগে স্ট্রবেরিতে প্রথম সুই পাওয়া গিয়েছিল গত সপ্তাহে কুইন্সল্যান্ডে। এরপর একে একে নিউ সাউথ ওয়েলস, ভিক্টোরিয়া, সাউথ অস্ট্রেলিয়া এবং তাসমানিয়াতেও স্ট্রবেরির ভেতর সুঁচ পাওয়া যায়।
১৪ সেপ্টেম্বর আরও তিনটি ছোট কার্টন পাওয়া গেছে। যেগুলোর মধ্যে থাকা স্ট্রবেরিতে সুই ছিল। এরপরই অস্ট্রেলিয়া জুড়ে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।
এই দুটি ঘটনার পর অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দেশবাসীর প্রতি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। তাতে বলা হয়, স্ট্রবেরি খাওয়ার আগে মাঝখান দিয়ে ফালি করে নিন। কারণ, আস্ত স্ট্রবেরির মধ্যে সুই লুকিয়ে রাখা হলে তা ওপর থেকে বোঝা যায় না।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সুই পাওয়ার ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার ছয়টি স্ট্রবেরি বাজারজাতকারী কোম্পানি ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। কোনো কোনো কোম্পানি তাদের পণ্য বাজার থেকে তুলে নিতে শুরু করেছে।
গত শুক্রবার অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ সম্ভাব্য ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার ছয়টি কোম্পানির নাম প্রকাশ করে। কোম্পানিগুলো হলো, ডোনিব্রোক বেরিস, লাভ বেরি, ডিলাইটফুল স্ট্রবেরিস, ওয়েসিস, বেরি অবসেশন ও বেরি লিসিয়াস।
এর মধ্যে শেষের দুটো কোম্পানির নাম এ সপ্তাহের প্রথমদিকে শোনা গেছে।








