বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ৩৫ হাজার শৌচাগারের প্রয়োজন হলেও এর অর্ধেকও স্থাপন করা হয়নি এখনও। নলকূপ ও গোসলের পানি সংকটেও বিভিন্ন রোগ ছাড়নোর আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে।
প্রচণ্ড গরমে গোসলের পানির সংকটের কারণে ছোট্ট নালায় বৃষ্টির পানিতে গোসল করছে অনেক রেহিঙ্গা শিশু। পানির গুনাগুণ বিচারের সময়ও নেই তাদের।এর পাশাপাশি সেখানে চাহিদার তুলনায় অপর্যাপ্ত ল্যাট্রিন। আবার উপচে পড়া ল্যাট্রিনের ময়লাও মিশছে বৃষ্টির পানিতে। স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন উদ্যোগ থাকলেও নিরাপদ পানি সংকটে রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েই গেছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রায় ১০ হাজার ল্যাট্রিন বসিয়েছে বেসরকারী সংগঠন ব্র্যাক। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা মিলে এ পর্যন্ত বসানো হয়েছে ১৫ হাজার ল্যাট্রিন। নলকূপ বসানো হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। তবে খাবারের চেয়েও গোসলের পানির সংকট যেন বেশি।
ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ড. মুহাম্মদ মুসা বলেন: এই সাত লাখ মানুষের পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য ৩৫ হাজার ল্যাট্রিন দরকার। যে ল্যাট্রিনগুলো রয়েছে তা মোটামুটি চাহিদা মেটাবে।
‘সংখ্যায় অনেক কম থাকায় একশ থেকে দেড়শ মানুষ একটি টয়লেটের জন্য ভীড় করছেন। যেখানে সাধারণ একটি টয়লেট ২০ জন মানুষ ব্যবহার করাই উচিত। আর এর কারণে এলাকায় রোগ জীবানু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে।’
এছাড়া পাহাড়ি জনপদে ক্যাম্পের আশেপাশে পানির উৎস কম থাকায় নিরাপদ পানির অভাব সহজে মিটছে না।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:







