রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আগামী ১৫ থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত ’পুষ্টি সপ্তাহ’ পালন করা হবে। এই পুষ্টি সপ্তাহে সব শিশুদের কৃমিনাশক ওষুধ, ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি শিশুর পুষ্টিগত অবস্থা পরীক্ষা করা হবে।
ইউনিসেফের হয়ে সেখানে কাজ করা রওশন আহমেদ বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে তাদের সচেতন করে তোলা। সেখানে শিশুদের কিছু ওষুধ খাওয়ানো হবে। তাছাড়াও এসব শিশুদের পরবর্তী চিকিৎসাগ্রহণ প্রক্রিয়া সহজ করারও ব্যবস্থা করা হবে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৫ বছরের নিচে অন্তত ১৭,০০০ রোহিঙ্গা শিশু গুরুতর অপুষ্টিতে ভুগছে।
২৫ আগস্ট থেকে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের ৫৯,৬০৪ শিশু উপর পরীক্ষা করে দেখা গেছে ১,৯৭০ শিশু চরম অপুষ্টিতে ভুগছে। তাদের মধ্যে ৬,৯৭১ জন শিশু মধ্যপরিমিত অপুষ্টির শিকারে বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ।
২০১৭ এর মে মাসের পর থেকে শরণার্থী শিবিরে এই অপুষ্টির হার জরুরি অবস্থাকে ছাড়িয়ে গেছে বলে জনিয়েছে সংস্থাটি। সারাবিশ্বে ২১.২% চরম অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের মধ্যে এই শিবিরে রয়েছে ৩.৬%।
তবে সংস্থাটি বলছে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মুংডুতে ১৯% ও বুথিডং এলাকায় ১৫.১% শিশু অপুষ্টিজনিত রোগে ভুগছে। সমগ্র রাখাইন রাজ্যে ৪০০০ হাজার শিশু চরম অপুষ্টিতে ভুগছে।
রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় শিশুদের মধ্যে হামের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। ৬ লাখ ৫০ হাজার কলেরা ভ্যাকসিন দেয়া সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের মধ্যে ডায়রিয়া, আমাশয়ে আক্রান্ত হওয়ার পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে।








