কক্সবাজারের টেকনাফে শরণার্থী ক্যাম্প এলাকায় ‘দুই ডাকাতদলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায়’ এক রোহিঙ্গার গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আটক করা হয়েছে দু’জনকে।
বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৪ টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান টেকনাফ থানার ওসি রণজিত কুমার বড়ুয়া।
নিহত হোসেন আলী ওরফে বাইল্ল্যা ডাকাত (৩২) টেকনাফ নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ সালামের ছেলে।
গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাক (৩৫) ও আব্দুস সালাম (৩১) একই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মৃত বাঁচা আলীর ছেলে।
নিহত ও গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগে টেকনাফ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ওসি জানান: বৃহস্পতিবার ভোর রাতে টেকনাফের নয়াপাড়া নিবন্ধিত শরণার্থী ক্যাম্পে ২ ডাকাতদলের মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এ সময় চিহ্নিত রোহিঙ্গা ডাকাত আব্দুল হাকিমের এক সহযোগীর গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পালিয়ে গেছে নুরুল আলম নামের চিহ্নিত আরেক রোহিঙ্গা ডাকাত। সে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ‘আনসার ব্যারাকের অস্ত্র লুটের ঘটনায়’ মামলারও আসামী।
পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্প এলাকা থেকে চিহ্নিত ২ রোহিঙ্গা ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানান ওসি।
গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ওসি জানান, অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে গত সপ্তাহখানেক আগে হোসেন আলী ওরফে বাইল্ল্যা ডাকাত তার সহযোগীদের নিয়ে গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে সে কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এ ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ক্ষুদ্ধ আব্দুর রাজ্জাক তার সহযোগীদের নিয়ে হোসেন আলী ওরফে বাইল্ল্যা ডাকাতের বাড়ীতে হামলা চালায়। এতে গোলাগুলিতে এ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
নিহতের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ওসি রণজিত।







