মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে এই অবস্থা চলতে থাকলে এ বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ১০ লাখে ঠেকতে পারে বলে মনে করছে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো।
কক্সবাজার শরণার্থী শিবির পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার ঢাকার গুলশান হোটেলে এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার অপারেশন্স অ্যান্ড ইমার্জেন্সি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মেদ আবদিকার মাহামুদ এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর’র সহকারী হাই কমিশনার জর্জ ওকোথ-ওব্বো এ আশঙ্কার কথা জানান।
শরণার্থীদের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে আন্তর্জাতিক সহায়তার অনুরোধ জানিয়ে আবদিকার মাহামুদ বলেন, “আমাদের উদ্বেগ বাড়ছে।” এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন. রোহিঙ্গা শরণার্থীরা তাদের প্রয়োজনীয় মৌলিক জিনিস পত্র এখনো পাচ্ছে না। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গতকাল উদ্বেগ প্রকাশ করে রোহিঙ্গা বিষয়ের সমাধানে জরুরী ভিত্তিতে বাড়তি চাপ প্রয়োগের কথা জানান।
গত ২৫ অগাস্ট থেকে শুরু হওয়া রোহিঙ্গা ঢলে নতুন করে প্রায় চার লাখ শরণার্থী বাংলাদেশে আসায় যে সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তা সামাল দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ‘এখনও যথেষ্ট’ করছে না বলে মন্তব্য করেন ইউনিসেফের এই কর্মকর্তারা। এই সংকট মোকাবেলার জন্য আগামী চার মাসের শিশুদের সহায়তার জন্য ৭.৩ মিলিয়ন ডলারের অার্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেছে ইউনিসেফ।
এই সংকটে বাংলাদেশ সরকার যে জরুরি সাড়া দিয়েছে তার প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আরও অনেক কিছু করতে হবে।”
ওকোথ-ওব্বো বলেন, আড়াই সপ্তাহের মধ্যে প্রায় চার লাখ মানুষ আসায় বাংলাদেশ গুরুতর মানবিক পরিস্থিতির মুখে পড়েছে।








