মিয়ানমারের রাখাইনে জাতিগত নিধনের শিকার হওয়ায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অবস্থান করার সুযোগ দেয়া হয়েছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন: আমরা মনে করি রোহিঙ্গারা অচিরেই দেশে ফিরতে পারবে আর সব ভয় দূর করে তারাও দেশে ফিরতে রাজি হবেন এবং শান্তিপূর্ণভাবেই ফিরে যাবেন।
তিনি বলেন: এ দেশের মানুষ ভ্রাতৃপ্রতিম, এ দেশের মানুষ সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়, এমনকি বাংলাদেশের মানুষ প্রতিবেশির জন্য জীবন দিতেও দ্বিধা করে না। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তাদেরকে নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বুধবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরের টাউন হলে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের এক বর্ধিত সভায় যোগ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গনসংবর্ধনা সফল করতে এ বর্ধিত সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ।
বর্ধিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে রোল মডেলে পরিণত করেছেন। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদকে বিতাড়িত করে সারাবিশ্বের সমর্থন নিয়ে তিনি ফিরে আসছেন; তাই আমরা তাকে বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত সংবর্ধনা দিব।
‘আমরা মনে করি রোহিঙ্গারা অচিরেই দেশে ফিরতে পারবে আর তারাও দেশে ফিরতে রাজি হবেন এবং শান্তিপূর্ণভাবেই ফিরে যাবেন।’
বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক হানিফ বলেন: প্রধান বিচারপতি অসুস্থ তাই তিনি ছুটি নিতেই পারেন, তাতে বিএনপির কী আসে যায়? তারা এত বৈঠক করছে কেন? বিচারপতি কি তার অসুস্থতা নিয়ে বিএনপির কাছে জবাবদিহিতা করবেন?
‘বিএনপি সব হারিয়েছে, কোনটা রেখে কোনটা চায় তা তারাও জানে না। কুরবানীর আগের রাতে মানুষের গরু হারালে যে অবস্থা হয় বিএনপির এখন সেই অবস্থা।’
বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানসহ আরও অনেকে বক্তৃতা করেন।








