মিয়ানমারকে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিৎ বলে মনে করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের প্রভাবশালী দেশটির মতে এই স্বীকৃতির মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান ‘অভিবাসী সংকট’ সমাধান অনেকটাই সম্ভব হবে। রোহিঙ্গা সংকটের মতো মানবাধিকার ইস্যুতে মিয়ানমারের রাজনৈতিক নেতাদের নিরবতা ভাঙারও আহ্বান জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
চলমান অভিবাসী সংকটে বাংলাদেশী অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিষয়টির পেছনে দারিদ্র্যকে মূল কারণ বলে মনে করে যুক্তরাষ্ট্র।
বুধবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যান রিচার্ড ইন্দোনেশিয়ার জার্কাতায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
অ্যান বলেন, রোহিঙ্গাদেরকে ‘বার্মা’র নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া উচিৎ। নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিতে রোহিঙ্গাদেরকে পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট দেয়ার কথাও বলেন তিনি।
মিয়ানমার সফরের অভিজ্ঞতা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি জানান, রোহিঙ্গাদের আবাসভূমি রাখাইন প্রদেশের অমানবিক পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গারা দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।
চলমান অভিবাসী ও মানবিক সংকট সমাধানে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া সফর করছেন শরণার্থী বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত যুক্তরাষ্ট্রের এই অ্যাসিসটেন্ট সেক্রেটারি। আজ জার্কাতায় দক্ষিণ এশিয়ার মানবপাচার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।
তার সাথে থাকা জাতিসংঘ কর্মীরা জানান, এখনো ২ হাজারের মতো অভিবাসন প্রত্যাশী মানুষ সাগরে ভাসছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ওইসব মানুষকে উদ্ধার করার আহ্বান জানান তিনি।
ইন্দোনেশিয়ায় মার্কিন কর্মকর্তার এমন ম্নন্তব্যের কয়েকঘণ্টা আগে থাইল্যান্ডের রয়্যাল পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন জেনারেল মানাস কংপ্যান। উর্ধতন এই থাই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিলো।







