রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করবে ওআইসি। কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন ওআইসি’র প্রতিনিধিদল।
এসময় প্রতিনিধি দলের প্রধান হাশেম ইউছেফ জানান, মিয়ানমার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর যে নিপীড়ন চালিয়ে তা গণহত্যা। বিশ্বব্যাপী এ ঘটনার জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শুরু থেকে ওআইসি বাংলাদেশে প্রশংসিত উদ্যোগের পক্ষে। এখন এ সংকটের সমাধানের জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে প্রধান আলোচনার বিষয় হবে রোহিঙ্গা ইস্যু।
এসময় প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ২ জন কথা বলেন গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে। তারা বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা মিয়ানমারের তৈরি। মিয়ানমারকে এর সমাধান করতে হবে। রোহিঙ্গারা নিরাপদে যেন স্বদেশে বাস করতে পারেন তার জন্য পরিবেশ তৈরির দায়িত্বও মিয়ানমার সরকারের।
ওই সময় বাংলাদেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী প্রতিনিধিদলটির সাথে ছিলেন।
শুক্রবার পৌনে ৯ টার দিকে রিজেন্ট এয়ারের একটি বিমান যোগে কক্সবাজার বিমান বন্দরে পৌঁছেন ‘ওআইসি’ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নিতে আসা ৮ জন মন্ত্রী, ৩ জন প্রতিমন্ত্রী ও ৮ জন পররাষ্ট্র সচিবসহ ৬৮ দেশের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল। এর পর তারা যান কক্সবাজারের একটি হোটেলে। সেখানে সরকারি কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন দাতা সংস্থার কর্মকর্তারা প্রতিনিধিদলটিকে ব্রিফিং করেন। ওই সময় বাংলাদেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী প্রতিনিধিদলটিকে রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
এরপর প্রতিনিধিদলটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওনা হন। বেলা ১১ টার দিকে এ প্রতিনিধিদলটি পৌঁছেন উখিয়া বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প আশ্রিত মিয়ানমারের বাসিন্দাদের অবস্থা সরজমিন ঘুরে দেখেন তারা। এসময় নির্যাতিত রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু-কিশোরদের সঙ্গে কথা বলেন।
বিকেল ৪ টার প্রতিনিধিদলটি কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।








