রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও সহায়তার জন্য সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। শরণার্থীদের মাঝে ত্রান বিতরণে চরম বিশৃংখলার অভিযোগ করে রোববার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও রোহিঙ্গাদের ত্রাণ ও সহায়তা কমিটির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস।
মির্জা আব্বাস বলেন: রোহিঙ্গারা মিয়ানমার সরকারের নির্যাতনে বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে। কিন্তু তারা এখানে আসার পথেও লুটপাটের শিকার হচ্ছে। ক্ষমতাসীনরা তাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে। সহযোগিতার নাম করে টাকা নিচ্ছে। তাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের নামে লোক দেখানো কাজ চলছে।
বিএনপির প্রতিনিধি দল গত ১২ সেপ্টেম্বর ত্রাণ দেয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দর ত্যাগ করার সময় বিদেশ থেকে আসা ত্রাণ বিমানবন্দরে পড়ে থাকতে দেখেছে বলেও দাবি করেন তিনি। এছাড়া বিদেশি অনেক সাহায্য আসলেও সরকার সে সাহায্য এখনও অসহায় রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণ না করে রেখে দিয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মির্জা আব্বাসের অভিযোগ: এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। অথচ সরকার বিএনপির ২২টি ত্রাণের ট্রাক আটকে দিয়েছে। এমন অমানবিক অপরাধ করে তা ধামাচাপা দেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রতিদিন মিডিয়ায় বিএনপির বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন: সাবেক স্বৈরাশাসক এরশাদকে দেখেছি সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ত্রাণ দিতে। শুধু তাই নয়, মঞ্চ করে বক্তব্য দেয়ার সুযোগও দেয়া হয় তাকে। অথচ বিএনপিকে ত্রাণ দিতে বাধা দেয় সরকার।
শত বাধার পরও বিএনপির ২২ ট্রাক ত্রাণ থেকে দুই থেকে আড়াই হাজার ব্যাগ ত্রাণ বিতরণ করতে সমর্থ হয়েছে বলে জানান মির্জা আব্বাস। এছাড়া খালেদা জিয়ার নির্দেশক্রমে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করে যাবেন বলেও জানান।
ত্রাণ দিতে গিয়ে বিএনপির স্থানীয় ৬ জন নেতা গ্রেফতার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।







