রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে গুরু কা লঙ্গরখানা খোলার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে শিখদের খালসা এইড নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। তারা প্রতিদিন ৩৫ হাজার শরণার্থীর খাবারের ব্যবস্থা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৃহস্পতিবার প্রথম দিনে স্বেচ্ছাসেবী শিখদের লঙ্গরখানা থেকে রান্না করা ভাত এবং সবজি রোহিঙ্গা শিবিরে বিতরণ করেন তারা। শিখ স্বেচ্ছাসেবীরা তিন দিন চেষ্টার পর বাংলাদেশ- মিয়নামার সীমান্তে পৌঁছায়।
খালসা এইড নামের সংস্থাটি বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা নিয়ে রোববার থেকে বাংলাদেশের সীমান্ত শহর টেকনাফে লঙ্গরখানা চালু করেছে। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর অমরপ্রীত সিং জানিয়েছেন, শরণার্থীদের দুর্দশা চোখে দেখার মতো নয়। প্রাথমিক ভাবে তারা শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্যাকেট খাবার এবং পানি বিতরণ করেন।
বৃহস্পতিবার তারা শাহপরি দ্বীপে এই লঙ্গরখানা খুলেছে। মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গারা নদী পথে এখানেই প্রথম নামে। প্রয়োজনের তুলনায় যদিও এই সহায়তা অনেক কম বলে স্বীকার করেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর অমরপ্রীত সিং।
ঢাকা থেকে ফেরিতে ১০ ঘণ্টার পথ টেকনাফ। ঢাকা থেকেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছে লঙ্গরখানার জন্য যাবতীয় জিনিসপত্র। রাজধানী থেকে দূরত্ব এবং প্রবল বৃষ্টি কাজে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে বলে জানিয়েছে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটি। পরিস্থিতি যতদিন না স্বাভাবিক হচ্ছে, ততদিন লঙ্গরখানা চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে সংস্থার পক্ষে। খালসা এইড নামের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অপর একটি দল দিন কয়েকের মধ্যে ত্রাণে সহায়তার জন্য পৌঁছে যাবে বলে জানানো হয়েছে।









