কর ফাঁকির মামলায় এমনিতেই বেশ চাপে আছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সেই চাপের প্রভাবই কিনা পড়ল মাঠে! সিরি আ’তে পেনাল্টি মিস করেছেন সিআর সেভেন। তবে তার পেনাল্টি মিসের রাতেও জয় আটকে থাকেনি জুভেন্টাসের। সোমবার রাতে শিয়েভো ভেরোনরাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে জুভরা।
চলতি মৌসুমে ফর্মের তুঙ্গে থেকে উড়ছে জুভেন্টাস। এদিনও তার ব্যতিক্রম ছিল না। ম্যাচের ১৩ মিনিটে দলকে লিড এনে দেন ডগলাস কস্তা। কাউন্টার অ্যাটাকে ডি-বক্সের ২০ গজ বাইরে থেকে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা।
প্রথমার্ধের শেষ বাঁশিতে ফুঁ দেয়ার ঠিক আগে দ্বিতীয়বার এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। স্বাগতিকদের লিড বাড়িয়ে দেন এমেরি ক্যান। পাওলো দিবালার ক্রস থেকে গোল করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল জুভরা। কিন্তু সুযোগ হাতছাড়া করেন রোনালদো। শিয়েভো ডিফেন্ডার মাত্তিয়া বানি বক্সের ভেতরে হাত দিয়ে বল আটকালে পেনাল্টি পায় জুভেন্টাস। স্পটকিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক তারকা।
পেনাল্টি মিসের পর আরও অন্তত দুইবার হতাশ করেছেন রোনালদো। গোলমুখে বাঁ-প্রান্তে তাকে ফাঁকা জায়গায় বল দিয়েছিলেন দিবালা। কিন্তু বারের বাইরে দিয়ে শট নেন রোনালদো। এর কয়েকমিনিট পর আরও একটি সুযোগ নষ্ট করেন পর্তুগিজ সুপারস্টার।
জুভেন্টাসের একের পর এক আক্রমণের মুখে থাকা শিয়েভো মাঝে মাঝেই পাল্টা আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি। উল্টো নির্ধারিত সময়ের খেলা যখন মিনিট ছয়েক বাকি, তৃতীয় গোলটি পায় জুভেন্টাস। পেনাল্টি এরিয়া থেকে হেডে গোল করেন ড্যানিয়েল রুগানি।
রাতের অন্য ম্যাচে জিওনার বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে এসি মিলান।
এই জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা নাপোলির চেয়ে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে থাকল জুভেন্টাস। ২০ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৫৬। সমানসংখ্যক ম্যাচে নাপোলির পয়েন্ট ৪৭। ৪০ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ইন্টার মিলান। চারে থাকা এসি মিলানের পয়েন্ট ৩৪। আর শীর্ষ পাঁচের অন্য দল এএস রোমার সংগ্রহ ৩৩ পয়েন্ট।







