প্রকৃতির যেন অদ্ভূত খেয়াল। এই তীব্র রোদ তো আবার এই বৃষ্টি। রোদ-বৃষ্টির খেলার এই সময়ে চুল নিয়েও সমস্যায় পড়তে হয় অনেক। অনেকসময় চুল ঠিকঠাক শুকাতেই চায় না। আবার শুকালেও কেমন চিটচিটে ভাব থাকে। রুক্ষতাও দেখা দেয় চুলে। সমস্যার সমাধানে জেনে নিন কিছু টিপস। তাহলে চুল ভালো রাখতে পারবেন সহজে।
চুলের যত ক্ষয়ক্ষতি তার পুরোটাই করে বাইরের আবহাওয়া। রোদ-বৃষ্টির এই সময়ে বাইরে বের হওয়ার সময় চুল ভালো করে বেঁধে নিন। তীব্র রোদ আর কখনো কখনো আর্দ্রতা চুল থেকে উজ্জ্বলতা কেড়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট। সেটা থেকেতো অন্তত চুলকে রক্ষা করতে হবে। বেনী করে ঘর থেকে বের হলে চুলে আবহাওয়ার ততটা ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে না।
চুলকে রক্ষা করার আরেকটি উপায় হলো সেটা পুরোপুরি ঢেকে ফেলা। সেটা হতে কোনো কোনো হ্যাট দিয়ে বা স্কার্ফ দিয়ে। এতে করে চুল সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে রক্ষা পাবে। সঙ্গে চুলে ময়েশ্চার ধরে রাখতেও সহায়তা করবে। হ্যাট বা স্কার্ফ কিন্তু শুধু আপনার চুলকে রক্ষায় করবে না বরং আপনাকে ফ্যাশনেবল দেখাতেও সাহায্য করবে।

আপনি কি প্রতিদিন চুল পরিষ্কার করেন? এই সময়ে চুল একটু কম ধোওয়ার চেষ্টা করুন। রোজ রোজ চুল ধুলে সেটা চুলের জন্যও ক্ষতিই বয়ে আনবে। চুল ময়লা হয়ে পড়লেই কেবল ধুয়ে ফেলুন। তাহলে চুল আরো বেশি ভালো থাকবে।
সাঁতারের আগেও চুলের দরকার বাড়তি যত্ন। পুলের পানিতে অনেক রকমের কেমিকেল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তাই পানিতে নামার আগে শাওয়ার ক্যাপ পড়ে নিন। সাঁতার শেষে চুলটা ভালো করে ধুয়ে নিতে ভুলবেন না। তা না হলে পুলের কেমিকেল চুল নষ্ট করার জন্য যথেষ্ট।

মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান। সেটা চুলের জন্য ভালো। ভেজা অবস্থায় মোটেও চুল আঁচড়াবেন না। তাহলে চুল আরো ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। শুকানোর পর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আস্তে আস্তে চুর আঁচড়ে নিন।
নারকেল তেল, অলিভ অয়েল বা অ্যাভোকাডো তেল, এর সবগুলোই চুলের জন্য খুবই উপকারী। চুলের আগা থেকে গোড়া অব্দি ভালো করে তেল লাগান। সাধারণভাবে চুল ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল অনেক নরম মনে হবে কিন্তু চিটচিটে দেখাবে না।
একটু যত্ন নিলেই মৌসুম কোনো প্রভাব আনতে পারবে না চুলের উপর।








