কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে রেলওয়ের ৫ দিনের আগাম টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিন কমলাপুর স্টেশন থেকে দেওয়া হয় ২১ সেপ্টম্বরের টিকিট। আগের দিন রাতে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট নিয়ে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন যাত্রীরা। তবে যাত্রী নেই সরকারি পরিবহন বিআরটিসির টিকিট কাউন্টারে।
১২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট পেয়ে সব ক্লান্তি ভুলে বাড়ি ফেরার আনন্দের শুরু যাত্রীদের। তবে অভিযোগও কম নয়। টিকিট কিনতে আসা এক নারী যাত্রী জানান, নারীদের জন্য ৩টি লাইন করা হলেও একটি লাইনের কাউন্টারে টিকিটই নেই। তবে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও টিকিট পেয়ে খুশি যাত্রীরা।
টিকিট কালোবাজারী বন্ধে নিয়মিত আইন-শৃংখলা বাহিনীর পাশাপাশি রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই থাকছেন কাউন্টারের ভেতর এবং বাইরে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ডিআরএম মো. আরিফুজ্জামান বলেন, কালোবাজারী বন্ধে গতবার যেসব বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিলো, এবারও সেসব নেওয়া হয়েছে। এর ফলে এবার পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকিট কাউন্টারে রাখা সম্ভব হয়েছে এবং সেগুলো প্রকৃত যাত্রীদের হাতেই যাচ্ছে বলে মনে করেন তিনি।
প্রথম দিনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ৬ জনকে আটক এবং বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে নজরদারিতে রেখেছে পুলিশ। এদের মধ্যে ২জনকে সনাক্ত করা গেছে বলে জানিয়েছেন কমলাপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ। সন্দেহভাজন ব্যক্তিরা কালোবাজারী কিনা তা যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার কমলাপুর স্টেশন থেকে দেওয়া হবে ২২ সেপ্টেম্বরের আগাম টিকিট।
কমলাপুর স্টেশনে আগাম টিকিট কিনতে আসা যাত্রীদের এতো ভিড় থাকলেও পাশেই বিআরটিসির কাউন্টারে যাত্রী খুঁজে পাওয়া ভার। ঈদ সেবার টিকিট নিয়ে অলস বসে আছেন কর্মকর্তারা।






