জয়ের পথটা সহজ করে দিয়েছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি পেসারের ৬ উইকেট শিকারে যুক্তরাষ্ট্র থেমে যায় মাত্র ১০৪ রানে। সহজ লক্ষ্য তাড়ায় কোনো উইকেটই হারায়নি বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে টি-টুয়েন্টিতে প্রথমবার ১০ উইকেটে জয়ের স্বাদ পেয়েছে টিম টাইগার্স। হিউস্টনের প্রেইরি ভিউতে তিন ম্যাচের সিরিজটি শেষ হল ২-১এ। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ নিজেদের করে নেয় যুক্তরাষ্ট্র।
তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার কোনো সুযোগই দেননি যুক্তরাষ্ট্র বোলারদের। তুলোধুনো করে ১১.৪ ওভারে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে। রানতাড়ায় প্রথমবার ওপেনিংয়ে গড়েন শতরানের জুটি। তানজিদ ৪২ বলে ৫৪ ও সৌম্য ২৮ বলে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
সম্প্রতি মিরপুরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজে আগে ব্যাট করে ওপেনিংয়ে ১০১ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা। গতবছর চট্টগ্রামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে লিটন দাস ও রনি তালুকদার গড়েছিলেন ১২৪ রানের জুটি। যেটি ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ।
অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল, প্রথম ম্যাচের নায়ক হারমিত সিং, দ্বিতীয় ম্যাচের নায়ক আলি খান এবং দলের সেরা অলরাউন্ডার স্টিভেন টেইলরকে বিশ্রামে রেখে একাদশ সাজিয়েও দাপুটে শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ৪.৫ ওভারে বিনা উইকেটে তুলে ফেলে ৪৬ রান। দুর্ভাবনার মেঘ অবশ্য সরতে থাকে এরপরেই। দারুণ বোলিংয়ে ম্যাচে ফেরার লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেন মোস্তাফিজ। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে নেন ৬ উইকেট।
টাইগার বাঁহাতি পেসারের আগুনে পুড়ে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০৪ রানে থামে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে নাগালে থাকে লক্ষ্য।
তৃতীয় ও শেষ টি-টুয়েন্টিতে টসে জিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শায়ান জাহাঙ্গীর ও আনদ্রিজ গাউস ওপেনিং জুটিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন ফিফটির কাছে।
পঞ্চম ওভারের শেষ বলে সাকিব আল হাসানকে উইকেট দিয়ে ফেরেন গাউস। ১৫ বলে ২৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন ৫টি চার ও ১টি ছয়ে।








