উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ওবায়দুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দির পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে ৩১ আগস্ট গ্রেপ্তারের পরের দিন ওবায়দুলকে ৬ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
গত ২৪ আগস্ট বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্কুলের পাশে ব্রিজের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় রিশাকে পাওয়া যায়। পরে স্কুলের অন্য শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় রিশার।
ঘটনার পরদিন রিশার মা বাদী হয়ে ওবায়দুলকে একমাত্র আসামী করে রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়, ছয় মাস আগে মায়ের (তানিয়া হোসেন) সঙ্গে ইস্টার্ন মল্লিকার শপিং কমপ্লেক্সের বৈশাখী টেইলার্সে যায় রিশা। সেখানে একটি ড্রেস সেলাই করতে দেয়। দোকানের রিসিটে বাসার ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়। রিসিট থেকে মোবাইল নম্বর নিয়ে ওবায়দুল ফোনে রিশাকে বিরক্ত করত। স্কুলে যাতায়াত করার সময় রিশাকে উত্ত্যক্ত করত।








