লোয়ার মিডলঅর্ডারে নাসির হোসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দারুণ ব্যাট করছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া এই দুই ব্যাটসম্যান যেভাবে এগোচ্ছিলেন, মনে হচ্ছিল তিনশ ছুঁয়ে ফেলবে বাংলাদেশের ইনিংস। কিন্তু ৪২ রানের মাথায় জুটিটি ভাঙে আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তে। দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে মিরাজকে ফিরতে হয় সাজঘরে। কারণ ততক্ষণে রিভিউয়ের কোটা শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের।
নাথান লায়নের বলটি মিরাজের প্যাডে লেগে লাফিয়ে ওঠে, হ্যান্ডসকম্ব শর্ট লেগে সেটা তালুবন্দী করেন। আম্পায়ার আঙুল তুলে বলে দেন আউট। অথচ হাতে একটি রিভিউ থাকলেই মিরাজ বেঁচে যেতেন সেই যাত্রায়। কিন্তু আগেই দুটি রিভিউর চ্যালেঞ্জ বিফলে যাওয়ায় মিরাজকে সাজঘরে ফিরতে হয় ১৮ রান করেই। ওই জুটি ভাঙার পর বেশি দূর যেতে পারেনি বাংলাদেশও। পরের ২০ রানের মধ্যেই শেষ চার উইকেট নেই। তাতে আক্ষেপটা আরও বড় হচ্ছে।
আগে দিনের শুরুতেই একটি রিভিউ নষ্ট করেন সাব্বির রহমান। আউট হয়েছেন জেনেও রিভিউ নেন। এরপর মুশফিকের একটি রিভিউও যায় বিফলে। দুই রিভিউ শেষ হয়ে যাওয়ায় আম্পায়ারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেননি মিরাজ।
দিনের খেলা শেষে সাকিব আল হাসান যখন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমখি হলেন, রিভিউ প্রসঙ্গে প্রশ্ন ছুড়লেন সংবাদকর্মীরা। রিভিউর সদ্ব্যবহার করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটি বোঝাতে গিয়ে উত্তরে সাকিব বললেন, ‘আমার মনে হয় এটা এখন ভালোই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মিরাজেরটা আউট ছিল না। মিরাজের সময় রিভিউ থাকলে সেটা নেয়া যেত। কারণ মিরাজ ও নাসিরের জুটিটা ভাল এগোচ্ছিল। ওরা ৪২ রান করে ফেলেছিল। রিভিউ থাকলে আরও ভালো করতে পারত।’
সাব্বিরের অযথা রিভিউ নেওয়ার ব্যাপারটা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তামিমের কোর্টে বল ছেড়ে দেন সাকিব, ‘ওটা তামিম বলতে পারবে। ও তখন উইকেটে ছিল। ড্রেসিংরুমে এটা নিয়ে পর কোনও কথা হয়নি।’








