মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মামলার রায়ের ‘খসড়া’ ফাঁস মামলায় তার স্ত্রী ফারহাত কাদের ও ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে খালাস দিয়েছেন বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল।
বাকি পাঁচ আসামীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। দুপুরে রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম শামসুল আলম।
সাকার প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামকে এক কোটি টাকা জরিমানাসহ ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া অন্য আসামী ব্যারিস্টার ফখরুলের সহকারী আইনজীবী মেহেদী হাসান, সাকার ম্যানেজার মাহবুবুল আহসান এবং ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন আলী ও ফারুক আহমেদকে ৭ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
এ রায়ে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্র এবং আসামী – দু’পক্ষই।
গত ৪ আগস্ট উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মধ্যদিয়ে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়। ওইদিন জামিনে থাকা আসামি সাকার আইনজীবী ব্যারিস্টার এ কে এম ফখরুল ইসলাম, ম্যানেজার মাহবুবুল হাসান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী ফারুক আহমেদ ও নয়ন আলীর জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন ট্রাইব্যুনাল।
২০১৩ সালের ১ অক্টোবর সাকা চৌধুরীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। তবে ওই রায় ঘোষণার আগেই সাকার আইনজীবী ও স্বজনরা রায়ের খসড়া কপি ফাঁসের অভিযোগ করেন এবং তা দেখান।
এ ঘটনায় পরদিন সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী এবং ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরীসহ আরো ৫ জনকে আসামি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার এ কে এম নাসির উদ্দিন মাহমুদ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলায় ২৫ সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট ডিবির পরিদর্শক মো. শাহজাহান আসামি ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।







