নাম তার রবিউল আলম। মেলায় একটি বই ফেরি করছিলেন। এই মানুষের জীবন যেন একটি উপন্যাস। একাত্তরের কথা। তিনি মাছ ধরে ফিরছিলেন। রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে অসংখ্য মানুষের লাশ দেখে তিনি চিৎকার করে উঠলেন। পাকিস্তানি আর্মিরা শুরু করল ব্রাশ ফায়ার। তিনি মাটিতে শুয়ে পড়লেন। তাকে ধরে নিয়ে গেল আর্মি ক্যাম্পে, চালানো হলো নির্যাতন। তিনি নিরক্ষর ছিলেন। একাত্তরের সেই অভিজ্ঞতা লিখতে তিনি ভর্তি হলেন নাইট স্কুলে। রিকশা চালাতেন। ফাঁকে ফাঁকে করতেন লেখাপড়া। পঞ্চাশ বছরের সাধনার পর তিনি লিখলেন একটি বই, ‘আমার দেখা রায়েরবাজার বধ্যভূমি এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের রক্তেভেজা একটি বটগাছ।’
ভিডিও: স্বকৃত নোমান, লেখক







