মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট অভিনেতা ফরিদ আলীকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। গুণী এ অভিনেতাকে জানানো হয়েছে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।
রাজধানীর ঠাটারীবাজারে প্রথম নামাজে জানাযা শেষে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা জানানো হয়।
ফরিদ আলীর স্ত্রী জানান, সংসারের প্রতি সব সময় কর্তব্য পরায়ন ছিলেন তিনি।
বড় ছেলে শুভ বলেন, এলাকার যেকোনো মানুষের বিপদ আপদে ছুটে যেতেন ফরিদ আলী।
চ্যানেল আই ভবনে তার স্মরণে খোলা হয় শোক বই। বাদ জোহর দ্বিতীয় নামাজে জানাযা হয় তেজগাঁওয়ের চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে।
জানাযায় অংশ নিয়ে বিশিষ্টজনেরা বলেছেন, তাঁর শারিরিক উপস্থিতি না থাকলেও কর্মে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন মানুষের অন্তরের মনিকোঠায়।
অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ বলেন, যে যায় তার জায়গা কখনো পূরণ হয় না।ফরিদ আলী ছিলেন সম্পূর্ণ একজন ইউনিক, আলাদা মানুষ।
অভিনেতা শংকর সাওজাল বলেন, ফরিদ আলীর কর্ম এবং চিন্তা যেন আমরা পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারি।
এফডিসিতে তৃতীয় জানাযা শেষে ফরিদ আলীকে বনানী কবরস্থানে বাবার কবরে দাফন করা হয়।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম হাসির নাটক ‘ত্রি-রত্ন’র অভিনয় শিল্পী ও তৃতীয় নাটকের নাট্যকার ছিলেন ফরিদ আলী। ‘কনে দেখার’ মাধ্যমে ১৯৬২ সালে মঞ্চে ও ‘একতলা দোতলা’ নাটকের মাধ্যমে ১৯৬৪ সালে টিভিতে যাত্রা শুরু হয় তার। ফরিদ আলীর লেখা প্রথম টিভি নাটক ‘নবজন্ম’।
এরপর ১৯৬৬ সালে ‘ধারাপাত’ ছবির মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক । সংগ্রাম, গুন্ডা, রংবাজ, ঘুড্ডি, তিতাস একটি নদীর নামসহ অসংখ্য চলচ্চিত্রে হাস্যরসাত্মক অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করেন তিনি। ‘টাকা দেন দুবাই যাবো, বাংলাদেশে থাকবো না’ তার এ সংলাপ জনপ্রিয় হয় দর্শকদের কাছে।
২২ আগস্ট সোমবার হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন ফরিদ আলী। তাঁর বয়স হয়েছিলো ৭৬ বছর।










