রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের চটকদার ভুয়া ভিডিওগুলো ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং টুইটারের মত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো থেকে সরিয়ে ফেলা হলেও টিকটক এখনও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
বিবিসি জানায়, সংস্থাটি এ ধরনের ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে তাদের প্রচেষ্টা জোরদার করছে। বর্তমানে ১ বিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে টিকটিকে। যার মধ্যে অর্ধেকের বেশি ৩০ বছরের কম বয়সী। আর এ প্লাটফর্ম থেকেই তারা যুদ্ধ সম্পর্কে আপডেট পাচ্ছে তারা।
তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের চঠকদার মিথ্যা ভিডিও তৈরী এবং লক্ষাধিক মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য শীর্ষস্থানীয় প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে টিকটিক। যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই টিকটকের ভুয়া লাইভস্ট্রিমগুলো সর্বোচ্চ সংখ্যক ভিউ হয়েছে।
নিউজগার্ড জানিয়েছে, অনলাইনে ভুল তথ্য পর্যবেক্ষণ করে এমন একটি ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের এ প্লাটফর্মের সাথে যুক্ত হওয়ার ৪০ মিনিটের মধ্যেই ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে চটকদার মিথ্যা ভিডিওগুলো সম্পর্কে জানিয়ে দেবে।







