ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদার মোদিকে উত্তরীয় ও ধুতি উপহার দিয়েছে ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশন। দুই দিনের বাংলাদেশ সফরের শেষ দিন সকালে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশন রোডে রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শন করেন মোদি।
মানবকল্যাণকারী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা রামকৃষ্ণ মিশনে প্রথমবারের মতো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনে ছিলো সাজ সাজ রব। রামকৃষ্ণ মিশনে মোদিকে অভ্যর্থনা জানান রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সাধারণ সম্পাদক স্বামী সুহিতানন্দ, ঢাকা রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশানন্দ এবং রামকৃষ্ণ মিশনের তরফ থেকে জনসংযোগের ভারপ্রাপ্ত স্বামী শুভকরানন্দ।
রামকৃষ্ণ মিশনে মোদি পা রাখার স্বামী বিবেকানন্দের বিশাল কাটআউট ও তার বাণীসহ তোরণ সাজানো হয়েছিলো রামকৃষ্ণ মিশনের মূল ফটকে। ওই তোরণ দিয়ে প্রবেশের সময় স্বামী বিবেকানন্দকে প্রণাম জানিয়ে গর্ভ মন্দিরে অর্ঘ্য দেন ভারতীয় নেতা।
এরপর বেলুর মঠে কিছুক্ষণের জন্য ধ্যানে বসেন মোদি। মোদির মাতৃভাষা গুজরাটিতে লেখা স্বামী বিবেকানন্দের জীবনী তাকে উপহার দেয়া হয়। এরসঙ্গে একটি ধুতি, উত্তরীয় ও প্রসাদও দেওয়া হয় নরেন্দ্র মোদিকে।
কথা ছিলো পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও নরেন্দ্র মোদি একসঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনে যাবেন। মমতা ব্যানার্জি শনিবার রাতে কলকাতায় ফিরে যাওয়ার কারণে একাই মিশন পরিদর্শন করেন মোদি।
রামকৃষ্ণ মিশনে মমতার উপস্থিতি না থাকলেও রেশমের উত্তরীয় ও প্রসাদ তার জন্যও পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী ধ্রুবেশানন্দ।
রামকৃষ্ণ মিশনের আগে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করে ঢাকায় দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু করেন নরেন্দ্র মোদি।






