কামরুল ইসলাম রাব্বীর তোপে বেশিদূর এগোতে পারেনি খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি। অল্পরানের লক্ষ্যে ছুটতে গিয়ে বিপদে পড়েছিল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সও। সেটি কাটিয়ে জয় পেয়েছে ইমরুল কায়েসের দলই।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে শুক্রবার বাকী দুই ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জয় পেয়েছে মোহামেডান ও বিকেএসপি।
খেলাঘর-গাজী ক্রিকেটার্স
বিকেএসপিতে এক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ছাড়া খেলাঘরের হয়ে দাঁড়াতে পারেননি আর কোনো ব্যাটসম্যান। এ উইকেটরক্ষকের ৫৭ রানের কল্যাণে ১৩৮ তোলে খেলাঘর।
রাব্বী ৯ ওভার বল করে ২৪ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। স্পিনার মেহেদী হাসান নিয়েছেন ২ উইকেট।
১৩৯ রান তাড়ায় রবিউল হকের তোপে খেই হারায় গাজী ক্রিকেটার্স। ৪১ রানে ৫ উইকেট নিয়ে অল্প সংগ্রহেও খেলাঘরকে ম্যাচ জেতানোর স্বপন দেখাচ্ছিলেন রবিউল। তবে শামসুর রহমান শুভর ৫১ ও ভারতীয় অলরাউন্ডার পারভেজ রসুলের অপরাজিত ৫৯ রানে ভর করে ৬১ বল ও ৩ উইকেট হাতে রেখেই কাঙ্ক্ষিত জয় পায় গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স।
প্রাইম দোলেশ্বর-মোহামেডান
মিরপুরে প্রাইম দোলেশ্বরের বিপক্ষে একদম শেষ বলে এসে জয় পেয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। মার্শাল আইয়ুবের ৬৮ ও তাইবুর রহমানের অপরাজিত ৭২ রানে নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২৪৮ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় দোলেশ্বর।
মোহামেডানের হয়ে শফিউল ইসলাম ও আলাউদ্দিন বাবু নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট।
আড়াইশো ছুঁইছুঁই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে থিতু হতে পারছিলেন না মোহামেডানের কোনো ব্যাটসম্যানই। ফরহাদ রেজার ৪ উইকেট ও টপঅর্ডারের ব্যর্থতায় একপর্যায়ে ১২৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে কাঁপছিল সাদা-কালোরা।
সেই অবস্থা থেকে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে দলকে জয় এনে দেন সোহাগ গাজী। ৬ ছক্কা ও ৩ চারে এ অলরাউন্ডারের ৫১ বলের ঝড়ে জয় দেখা শুরু করে মোহামেডান।
লক্ষ্য থেকে ৩ রান দূরে নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে সোহাগ গাজী ফিরে গেলে আবারও জমে উঠেছিল ম্যাচ। শেষ দশ বলে ৬ রান তুলে ম্যাচটা মোহামেডানের হাতে নিয়ে আসেন শফিউল ইসলাম ও সাকলায়েন সজীব।
বিকেএসপি- উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাব
ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের ৬৬ রানে ২০১ রানের বেশি রান করতে পারেনি বিকেএসপি। কিন্তু বোলারদের কল্যাণে এই অল্পরান নিয়েই পার হয়ে গেছে আকবর আলীর দল।
রান তাড়ায় নেমে উত্তরার ইনিংস ১৮১ রানেই থেমে গেলে ২০ রানের জয় পায় বিকেএসপি।







