রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ডের দুই বছর আজ। তবে এখনো হয়নি দোষীদের বিচার কাজ। এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে এক প্রতিবাদী সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও নিহতের আত্মীয়-স্বজনেরা।
সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ কলাভবনের সামনে ‘মুকুল মঞ্চে’ এক প্রতিবাদী সমাবেশ থেকে তারা এ দাবি জানান।
সকাল ১০টায় বিভাগের সামনে থেকে প্রতিবাদী র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ফের সেখানে এসে সমাবেশ করে। র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক শহীদুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক শেহনাজ ইয়াসমীন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, রুবাইদা আখতার, মোমিনুল ইসলাম, সাখাওয়াত হোসেন, অধ্যাপক রেজাউল করিমের দুই সন্তানসহ প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী।
সমাবেশে ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক জহুরুল ইসলাম বলেন: ‘আমরা শুনেছি মামলায় অভিযুক্ত তিন আসামি ক্রসফায়ারে মারা গেছে। তবে তারা কী সত্যিই অপরাধী ছিল তা আমাদের জানা নেই। আমরা চাই যারা শুধু এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করা হোক। এক্ষেত্রে আদালতের বিচারে যারা অপরাধী প্রমাণিত হবে শুধু তারাই যেন শাস্তি পায়।’
সমাবেশে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক এএফএম মাসউদ আখতারসহ অন্যান্য বক্তারা অপরাধীদের বিচার করে দ্রুত শাস্তির দাবি জানান।
১১ এপ্রিল রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক শিরীন কবিতা আখতার মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন। আগামী ৮ মে অধ্যাপক রেজাউল করিম হত্যা মামলার রায় ঘোষিত হবে বলে জানান তিনি।








