আগুনের ঘটনার পরই ছোট ভাই এনামুলের মোবাইলে ফোন করে যাচ্ছিলেন বড় ভাই আমির হোসেন। বহুবার সে ফোনে রিং বাজলেও রাত ১টার পর আর রিং টোন বাজলো না।
স্বজনদের নিয়ে ঢাকা মেডিকেলের মর্গের সামনে বসে বৃহস্পতিবার দুপুরে একথাই বারবার বলছিলেন আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া কাজি এনামুলের বড় ভাই আমির হোসেন। আমির হোসেন সদরঘাটে একটি লঞ্চে চাকরি করেন, থাকেন ঢাকায়। গ্রামের বাড়ি বরিশালের মির্জাগঞ্জে।
মর্গের সামনে থাকা এনামুলের এক স্বজন ইব্রাহিম মুসল্লী চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, এনামুল থাকত চকবাজার এলাকায়। আমি আর এনামুল গতকাল রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত একসাথে ছিলাম। এরপর এনামুল বললো ও মদিনা ডেন্টালে (আগুন লাগা বিল্ডিং এর পাশে) দাঁতের ডাক্তার দেখাবে। তারপর ও চলে গেল ডাক্তার দেখাতে। পরে যখন আগুল লাগে তখন ওকে ফোনে কল দিতে থাকি কিন্তু রিং বাজলেও ফোন আর ধরেনি।
ইব্রাহিম মুসল্লী আরো জানান, সিটি কলেজ থেকে বিবিএ শেষ করা এনামুল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ করছিলেন। সেই সাথে দুইটা ছাত্র পড়াতেন আর ভালো একটা চাকরি খুঁজছিলেন। ওর আর চাকরি করা হলো না। এখানে এনামুলের লাশ সনাক্ত করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে লাশ বুঝিয়ে দিলে আমরা ছুটব গ্রামের বাড়ি মির্জাগঞ্জের পথে।








