আজ জাতীয় শোক দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদত বার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের এই কালোদিনের ভোরে ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র।
ঘাতকরা শধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল এবং ভাই শেখ নাসের।
এছাড়া বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল এবং পুলিশের একজন কর্মকর্তাও সেখানে নিহত হন।
পৃথিবীর জঘন্যতম এই হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি, নাতি সুকান্ত বাবু, ভাইয়ের ছেলে শহীদ এবং বেড়াতে আসা রিন্টু। সেরনিয়াবাতের মিন্টো রোডের বাসভবনে নিহত হন ছয়জন।
বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে ও যুবনেতা শেখ ফজলুল হক মণি, এবং তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনিকেও হত্যা করা হয় ধানমন্ডির আরেকটি বাসায়।
সেসময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান।
জাতীয় শোক দিবসে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দিবসটি পালনে রাষ্ট্রীয়ভাবে নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোও নিয়েছে নানা কর্মসূচি।
এর মধ্যে আছে, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, কোরানখানি ও মিলাদ মাহফিল, কাঙালিভোজ, আলোচনাসভা এবং শোক শোভাযাত্রা।






