রাতভর তল্লাশি করেও পুলিশ হদিস পায়নি শিশু পরিচারিকা নির্যাতনে অভিযুক্ত ক্রিকেটার শাহাদত এবং তার স্ত্রী। রাজধানী ঢাকা ও তার বাইরে অন্তত ৬টি জায়গায় তল্লাশি করে পুলিশ ও র্যাব। রাত সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ ঘিরে ফেলে মালিবাগে শাহাদতের শ্বশুরবাড়ি। ভোরের দিকে আরো এক দফা তল্লাশি চলে।
প্রথম দফায় পুলিশ পরিচয়ে অনেক ডাকাডাকি করেও ওই বাসার দরজা খোলেনি কেউই। পাশের ফ্ল্যাটের লোকদের জানানোর পর ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় দরজা খুললে ভেতরে তল্লাশি করে পুলিশ। সেখানে পাওয়া যায় শাহাদতের ৬ মাসের শিশু সন্তানকে। সেসময় নিচের পার্কিংয়ে শাহাদতের প্রাইভেট কারটি রাখা ছিলো।
শাহাদতের শ্বশুর পুলিশকে জানান, মামলা হওয়ার রাতেই শাহাদত নিজের প্রাইভেট কার ও ৬ মাসের সন্তানকে তাদের কাছে রেখে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়।
মিরপুর থানার ওসি ইন্সপেক্টর ভূইয়া মাহবুব হাসান চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান, শাহাদত খুবই ধূর্ত প্রকৃতির; নয় তো সে কোনো ধূর্ত লোকের আশ্রয়ে রয়েছে। কয়েক দফা মোবাইল ফোনের সিম বদল করেছে। নিজেদের অবস্থান বদল করেছে আরো বেশি।
তবে মিরপুর অপরাধ বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার কাইমুজ্জামান বলেছেন, শাহাদতকে গ্রেফতারে সম্ভব সবকিছুই করছেন তারা।
শাহাদতের পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ এক আইনজীবী বলেছেন, বৃহস্পতিবার দিনের কোনো এক সময়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে পারেন তারা।
শাহাদত হোসেনের বিরুদ্ধে শিশু গৃহকর্মী মাকছুদা আকতার হ্যাপিকে (১১) নির্যাতনের অভিযোগে রোববার রাতে মামলা হয়। তখন থেকেই শাহাদত এবং তার স্ত্রীকে গ্রেফতারের জন্য খুঁজছে পুলিশ।
মামলার বাদী সাংবাদিক মোজাম্মেল হক রোববার সন্ধায় আহত অবস্থায় হ্যাপিকে উদ্ধার করেন। তার শরীরে বিভিন্ন জায়গায় জখমের দাগ দেখতে পেয়ে থানায় নিয়ে যান। মামলার পরে পুলিশ মেয়েটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।






