নায়ক, পরিচালক আর প্রযোজক রাজ কাপুরের পছন্দের জায়গা ছিল রিগাল। নার্গিসের সঙ্গে এখানে অনেক সময় কাটিয়েছেন। নিজের প্রায় সব ছবির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়েছে এখানে। ১৯৩২ সালে দিল্লিতে রিগাল চালু করেন স্যার সোবাহ সিং। তখন এই এলাকায় এটাই প্রথম প্রেক্ষাগৃহ।
সেই জৌলুস এখন নেই। রিগালের অন্যতম মালিক বিশাল চৌধুরী জানান, এখন আর আগের মতো আয় নেই। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই মন্দা চলছে। বছর দুয়েক যাবৎ প্রেক্ষাগৃহ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। টিকিট বিক্রির যে আয়, তার অর্ধেক চলে যায় পরিবেশকদের পকেটে। বাকিটা দিয়ে আর চলা যাচ্ছে না। তাই দিল্লির এই ঐতিহ্যবাহী প্রেক্ষাগৃহটি ভাঙা হবে। ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু হবে শুক্রবার।
বিশাল চৌধুরী আরও জানান, রিগাল ভেঙে এখন মাল্টিপ্লেক্স করা হবে। নতুন মাল্টিপ্লেক্সে থাকবে চারটি অডিটরিয়াম। করিডর আর সিঁড়িতে সার বেঁধে সাজিয়ে রাখা হবে দেব আনন্দ, মীনা কুমারী, নার্গিস ও রাজ কাপুরের সাদাকালো ছবি। ১৯৯৬ সালে রিগালের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা কিনে নিয়েছে মাদাম তুসো জাদুঘর। আগামীতে এখানে চালু হবে জাদুঘরটির ২২তম শাখা।
তবে ভেঙে ফেলার আগে কাল বৃহস্পতিবার শেষ দুটি প্রদর্শনী হবে রিগালে, সন্ধ্যা ৬টায় ‘মেরা নাম জোকার’ আর রাত ৯টায় ‘সঙ্গম’। হিন্দুস্তান টাইমস।











