রাজশাহী কিংসকে ১৭ রানে হারিয়ে বিপিএলের লড়াইতে টিকে থাকল বরিশাল বুলস। বরিশালের ১৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে সামিত প্যাটেলের ৬২ রানে রাজশাহী নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৪ রান করে। বরিশালের পক্ষে ক্যারিবীয় র্যায়াড এমরিট তিনটি উইকেট নেন।
শেষ ওভারে ২৮ রানের প্রয়োজন ছিল রাজশাহীর। ব্যাট হাতে হার্ডহিটার দলীয় অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি আর বল হাতে থিসারা পেরেরা। ওভারের দ্বিতীয় বলে স্যামি ডিপ কাভারের ওপর দিয়ে বল আঁচড়ে ফেলালেন গ্যালারিতে। পরের বলে উইকেট কীপারের উপর দিয়ে চার। মনে হচ্ছিল জিতিয়েই ছাড়বে ম্যাচটাকে স্যামি। কিন্তু পরের তিন বলে বিগ হিট করতে না পারায় ১৭ রানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় রাজশাহীকে।
১৬২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনার মুমিনুল হক ও নুরুল হাসান নাহিদ ২৭ রান করেন।
তৃতীয় ওভারে মনির হোসেনর বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন সোহান (১০)।
বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি বরিশালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সাব্বির রহমান। দলীয় ৩৬ রানের মাথায় এমরিটের বলে ম্যালনের কাছে তালুবন্দি হন তিনি।
তবে রাজশাহীর হারের শঙ্কাটা জাগে দলীয় ৫৩ রানে ওপেনার মুমিনুল হক আউট হলে। স্পিনার এনামুলের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিংরুমে ফেরেন মুমিনুল (১৬)।
দলীয় ৬৮ রানে পেরেরার বলে মুশফিকের কাছে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলনে ফেরেন রাকিবুল হাসান (৯)।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে ৪৪ রানের জুটি গড়েন সামিত প্যাটেল ও ফ্যাঙ্কলিন।
শেষ ছয় ওভারে রাজশাহীর প্রয়োজন ছিল ৭৬ রানের। খানিকটা অসম্ভব মনে হলেও রাজশাহীর স্বপ্ন টিকে ছিল সামিত প্যাটেল ও ফ্যাঙ্কলিনের হাতে। চার ওভারে ৫৪ রানের ব্যবধানে নিয়ে আসে এই দুজন ব্যাটসম্যান। তবে ১৭তম ওভারে কামরুল হাসানের বলে থিসারার কাছে মিড অফে ফ্যাঙ্কলিন (১৮)তালুবন্দি হলে জয়ের আশা ফিকে হতে থাকে রাজশাহীর।
আর ১৯তম ওভারের এমরিটের দ্বিতীয় বলে সামিত ৬২ রানে প্যাভিলনে ফিরে গেলে জয়ের আশা পরজয়ে রূপান্তরিত হয়।সামিত দলের পক্ষে ৫১ বলে সাতটি চার ও একটি ছয়ে ৬২ রান করেন।
এরআগে মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টস হেরে ওপেনার ডেভিড ম্যালানের ৫৬ রানের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৬১ রান করে বরিশাল বুলস।
রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে মেহেদি মিরাজ, মোহাম্মদ সামি ও ফরহাদ রেজা প্রত্যেকে একটি করে উইকেট পান।









