রাজনৈতিক অস্থিরতা আর কঠিন প্রশ্নপত্রকেই যশোর বোর্ডের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেন যশোর বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ।
চলতি বছরে যশোর শিক্ষা বোর্ডের পাসের হার ৪৬.৪৫ শতাংশ। যা সবগুলো বোর্ডের চেয়ে অনেক কম। এর আগে ২০১৪ সালে পাসের হার ছিলো ৬০.৫৮ শতাংশ অার ২০১৩ সালে ছিলো ৬৭.৪৯ শতাংশ এবং এরআগের বছর ২০১২ সালে পাসের হার ছিল ৬৭.৮৭ শতাংশ।
একই অবস্থা জিপিএ-৫ এর ক্ষেত্রেও। চলতি বছর জিপিএ-৫ এর সংখ্যা এক হাজার ৯২৭। কিন্তু এর আগের বছর ছিলো ৪ হাজার ২৩১, ২০১৩ সালে ৪ হাজার ৭৪০ এবং ২০১২ সালে ছিলো ৫ হাজার ২২৯ জন।
চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে আলাপকালে আবদুল মজিদ বলেন, যশোর বোর্ডে এবার শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি খারাপ করেছে ইংরেজিতে। অন্যান্য বিষয়গুলো তুলনামূলকভাবে ভালো আছে। এই বিষয়টিতেই সবচেয়ে খারাপ করেছে তারা।
যশোর বোর্ডের এই ফলাফল প্রভাব ফেলেছে পুরো দেশের ফলাফলেও। সারাদেশে এবছর পাসের হার ৬৯.৬০ শতাংশ।
এর কারণ হিসেবে আবদুল মজিদ বললেন, এবছর প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধ করতে অন্য বোর্ডে থেকে প্রশ্ন পাঠানো হয়েছে। আবার আমাদের এখান থেকেও প্রশ্ন অন্য বোর্ডে গেছে। সেই কারণেই এই সমস্যা দেখা দিয়েছে।
তবে এমন ফলাফলের জন্য কঠিন প্রশ্নপত্রকেও দায়ী করেছেন তিনি। সামনে নিয়ে আসেন শিক্ষক সংকটের কথাও। তিনি বলেন, ‘ভালো শিক্ষকের অভাবও এই ফল বিপর্যয়ের একটি কারণ। সৃজনশীল শিক্ষাব্যবস্থার কারণে সেটার সঙ্গে হয়তো শিক্ষার্থীরাও নিজেদের ঠিকভাবে খাপ খাওয়াতে পারেনি।’
দুর্বল মেধা ও সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে এবছর এমনটা ঘটলেও ভবিষ্যতে এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানিয়ে অাবদুল মজিদ বলেন, সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কি করা হবে। তবে এখন শিক্ষকদের উদ্বুদ্ধ করার কাজ চলছে।







