মাসখানেকের ব্যবধানে মিরপুর সনি সিনেমা হলের সামনে এএসআই খুন ও গত বুধবারে সকালে নবীনগরে পুলিশ কনস্টেবল মুকুলকে কুপিয়ে হত্যা, কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফিন দীপনকে হত্যা এবং কবি তারেক রহিম, শুদ্ধস্বর প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী আহমেদুর রশীদ টুটুল ও রণদীপম বসুকে হত্যা চেষ্টা করা হয়।
রাজধানীর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো কঠোরতম করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ পুলিশ। গত কয়েকদিন ধরেই জনগণের নিছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মরিয়া পুলিশ সদস্যরা। মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের কার্যক্রম দেখে তাদের সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তার স্বার্থে জনগণের দুয়ারে যাচ্ছেন পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা।
নিরাপত্তা রক্ষায় একটি নিবন্ধন ফর্ম সকল বাড়িওয়ালাকে দিচ্ছেন তারা। বাড়ির মালিকের সকল তথ্য, ভাড়াটিয়াদের সকল তথ্য এমনকি কাজের লোক এবং গাড়ীর ড্রাইভারের সকল তথ্য ওই ফর্মে লিপিবদ্ধ করে থানায় জমা দিতে বলা হচ্ছে।
মোহাম্মদপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর কামরুজ্জামান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু, জনগণের নিরাপত্তা ও সুবিধার্থে তারা এই উদ্যোগ গ্রহন করেছে। শুধুমাত্র মোহাম্মদপুর থানায় নয় নিবন্ধন ফর্ম পুরো রাজধানীতেই পালাক্রমে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, এই নিবন্ধন ফর্ম দ্বারা সকলকে চিহ্নিত করা যাবে, অনেক অপরাধী ভুয়া নাম দিয়ে বাসা ভাড়া করে অপরাধ কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ফর্মের সঙ্গে ভাড়াটিয়াদের এক কপি ছবি নেওয়া হচ্ছে। বাড়ীর মালিকদের বলে দেওয়া হচ্ছে সকল ভাড়াটিয়াদের ভোটার আইডি কার্ড, অফিসিয়াল আইডি কার্ড সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে।
এক প্রশ্নের উওরে কামরুজ্জামান বলেন, সকল প্রকার তথ্য উপাও সংগ্রহের পর সব থানা থেকেই ইন্টারনেট সার্ভারের মাধ্যমে এই তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে রাখা হবে। খুব শীঘ্রই এই সুবিধা চালু হবে বলেও জানান তিনি।
নিরাপত্তা, সতর্কতা এবং অপরাধ বিষয়ে গণসচেতনা সৃষ্টি এবং এই সচেতনাকে জনগণের কাছে ছড়িয়ে দিতে এ উদ্যোগ নিয়েছে ডিএমপি।
পুলিশ আপনার বন্ধু-প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নিন- পুলিশকে সহযোগিতা করুন এই স্লোগানে মাস দুয়েক আগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তেজগাঁও বিভাগ নিরাপত্তা নির্দেশিকা বইও প্রকাশ করে।







