কাঠ পাচারকে কেন্দ্র করে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই রাইখালী ইউনিয়নের বড়খোলা পাড়ায় বিজিবি ও কাঠ পাচারকারীদের মধ্যে সংর্ঘষের ঘটনায় আরো ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে এই ঘটনায় ২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
চন্দ্রঘোণা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহুরুল আনোয়ার জানান, নিহতদের নাম সাদ্দাম হোসেন(৩৫) ও মোঃ জাবেদ(৩৪)। এ ঘটনায় জুয়েল নামে ১ জনকে আটক করা হয়েছে।
চন্দ্রঘোণা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জহুরুল আনোয়ার আরো জানান, বিজিবি চেক পোষ্টে হামলা ও অগ্নি সংযোগ ও কাঠ পাচারের ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে চন্দ্রঘোনা ও রাঙ্গুনিয়া থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২ হাজার জনকে আসামী করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সংঘর্ষের ঘটনার পর বড়খোলা পাড়াসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি পাড়া পুরুষ শূণ্য হয়ে পড়েছে। এই ঘটনার পর স্থানীয় বড়খোলা পাড়া বাজার বন্ধ রয়েছে। এলাকার লোকজনের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকায় পুলিশ ও বিজিবি টহল জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে চোরাই কাঠ বোঝাই একটি চাঁদের গাড়ি বিজিবির ঢংছড়ি চেক পোষ্ট অতিক্রম করার সময় বিজিবি গাড়ীটিকে থামতে বলে। কাঠ পাচারকারীরা বিজিবির নির্দেশ উপেক্ষা করে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ক্যাম্প থেকে প্রায় ৩শ গজ দুরে গাড়ি উল্টে গিয়ে গাড়ীর নিচে চাপা পড়ে সাদ্দাম হোসেন (৩৫) নামে একজন কাঠ পাচারকারী নিহত হয়।
এ ঘটনার পর স্থানীয় জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে বিজিবি ক্যাম্পে হামলা করে দুটি চেক পোষ্টে আগুন দিলে বিজিবি কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে উত্তেজিত লোকজনকে ছত্র ভঙ্গ করে দেয়। এ সময় প্রায় ১০ জন আহত হয়। এদের মধ্যে ২ কাঠ পাচারকারী মারাত্মক আহত হলে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে জাবেদ (৩৪) নামে আরো ১জন মারা যায়।








