রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরু হয়েছে। সোমবার প্রতীক পেয়ে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেতে শুরু করেছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সতর্ক থাকার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
প্রতীক বরাদ্দ উপলক্ষে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী এবং তাদের সমর্থকদের ভিড়ে সোমবার সকাল থেকেই মুখর ছিল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রতীক বরাদ্দ করেন রির্টানিং কর্মকর্তা।
প্রতীক পেয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমে যান প্রার্থীরা। সরকারের উন্নয়নযাত্রা অব্যহত রাখতে নগরবাসী আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কার প্রার্থীকে জয়ী করবেন বলে আশা মেয়র প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টুর।
আওয়ামী লীগের এই মেয়র প্রার্থী বলেন: প্রচেষ্টা থাকবে রংপুরে নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচিত হয়ে রংপুরের মানুষের জন্য কাজ করে যাবো।
জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার দাবি জাপার দূর্গ হিসেবে খ্যাত রংপুর, এই নির্বাচনে এবার লাঙ্গলের জয় নিশ্চিত। তিনি বলেন: দলীয়কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নিরলসভাবে ইনশআল্লাহ চেষ্টা করবো, লাঙ্গলের জয় সুনিশ্চিত।
সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা নেই দাবি করে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু হলে ধানের শীষের জয় হবে আশা বিএনপি প্রার্থীর। দলটির প্রার্থী কাওসার জামান বাবলা বলেন: অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আমাদের আগে থেকেই আছে, এখনও রয়েছে। জাতীয়তাবাদী দলের প্রতীক পেয়েছি এবং এই প্রতীক নিয়েই আমি লড়বো।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা হলেও হাতি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে আছেন এরশাদের ভাতিজা হুসেইন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ। তিনি বলেন: আমাকে হাতি মার্কা দেয়া হয়েছে। আমি এমপি ছিলাম, আমার ৭২-৭৩টি সংগঠন রয়েছে, যেগুলো আমি তৈরি করেছি, নির্বাচনে এগুলো আমার শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
সকল প্রার্থীকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন: ২১ তারিখে যে নির্বাচনটি হবে, সেটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে চার স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২১ ডিসেম্বর।
এহসানুল হক সুমনের ক্যামেরায় বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








