প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানানোর জন্য জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার প্রকাশ্যে বিচার হওয়া উচিৎ। এ জন্য জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১ তম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের বক্তব্যের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “জঙ্গিদেরবাঁচিয়ে রাখলে কী করবেন, পূজা করবেন? আবার বলেন, শেকড় সন্ধানের কথা। সেটা তো আর খুঁজতে হয় না। যারা জঙ্গিদের জন্য মায়াকান্না করে তারাই তো শেকড় হতে পারে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের কারাগার থেকে ছেড়ে দিয়েছিলেন। স্বাধীনতাবিরোধী শাহ আজিজ ও আবদুল আলীমকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। মাওলানা মান্নানকে বানিয়েছিলেন উপদেষ্টা। আর তার স্ত্রী নিজামী, মুজাহিদকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে এনেছেন জিয়াউর রহমান আর তার স্ত্রী তাকে দিয়েছেন বাংলাদেশি পাসপোর্ট। যারা যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করে তারা কীভাবে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হয়।”
জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “স্বাধীনতাবিরোধী খুনি, ধর্ষকদের কারাগার থেকে ছেড়ে গিয়ে রাজনীতি করার অধিকার দিয়েছেন জিয়াউর রহমান।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, একটি খেতাবও পেয়েছেন। কিন্তু পরে তিনি কী করেছেন? স্বাধীনতাবিরোধীদের পুনর্বাসন করেছেন। জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ ছিল। তাদেরকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধীদের ভোটাধিকার ছিল না, অর্ডিন্যান্স জারি করে তাদেরকে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন, রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তাহলে তিনি কীভাবে মুক্তিযোদ্ধা হন?”
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সংসদ সদস্য একেএম রহমতউল্লাহ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকনসহ কয়েকজন নেতা।







