দীর্ঘ ৩৭ বছরের নীরবতা ভেঙ্গে নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।
১৯৭৯ সালে তাইওয়ান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সব ধরণের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর এই প্রথম দু’দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে সরাসরি কথা হলো।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের আগ পর্যন্ত গঠিত প্রশাসনিক দল বা ট্রানজিশন টিম জানিয়েছে, ট্রাম্প ও সাই দু’জনেই ‘গভীর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পর্ক’ নিয়ে কথা বলেছেন।
দেশ দু’টির মধ্যে এই যোগাযোগের ফলে যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরাগভাজন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। কেননা চীন সবসময়ই তাইওয়ানকে নিজের বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে দেখে এসেছে।
এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন বক্তব্যের জবাবে ট্রাম্প ব্যাঙ্গ করে টুইটারে লিখেছেন, “অবাক ব্যাপার, কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে বিলিয়ন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করতে পারে, অথচ অভিনন্দন জানিয়ে তাদের করা একটা ফোনকলও আমি নিতে পারব না।”
ট্রাম্প এক টুইটবার্তায় জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট সাই তাকে নির্বাচনে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাতে ফোন করেছিলেন।
ট্রাম্পের ট্রানজিশন টিম বলেছে, ট্রাম্পও গত জানুয়ারির নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় সাই ইং-ওয়েনকে সাধুবাদ জানান।
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের ফোনালাপের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনো পরিবর্তন আসবে না বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউজ।
বিষয়টি ট্রাম্পের এক মুখপাত্রও জানিয়েছেন, তাইওয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি সম্পর্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘যথেষ্ট সচেতন’।
তবে এ ব্যাপারে চীন এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।










