যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যে একটি হাই স্কুলে গোলাগুলির ঘটনায় দুই কিশোর-কিশোরী নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে কমপক্ষে আরও ১৭ জন।
হামলাকারীর বয়স মাত্র ১৫ বছর। তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে সে-ও ওই স্কুলেরই শিক্ষার্থী বলে জানানো হয়েছে। হামলার অভিযোগে সে এখন পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে এক কিশোর কেন্টাকির পশ্চিমাঞ্চলীয় ছোট শহর বেন্টনের মার্শাল কাউন্টি হাই স্কুলে ঢুকে হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় স্কুলের ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী এক কিশোরী। আহত হয় ১৮ জন। হাসপাতালে নেয়ার পর ১৫ বছর বয়সী আরেক কিশোর মারা যায়।
কেন্টাকি স্টেট পুলিশ কমিশনার রিক স্যান্ডার্স জানান, আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সন্দেহভাজন ছেলেটিকে গোলাগুলি শুরু মিনিট পনেরোর মধ্যেই আটক করতে সফল হয় পুলিশ। কেন্টাকি পুলিশ জানায়, কোনো রকম সহিংসতা ছাড়াই তাকে ধরা সম্ভব হয়েছে।
কেন্টাকি গভর্নর ম্যাট বেভিন জানান, সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটকের সময় সে বাধা দেয়নি। তার বিরুদ্ধে দু’টি হত্যা ও আরও বেশ কয়েকজনকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হবে।
গত দু’দিনে যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলে এ নিয়ে পরপর দু’টো বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটল। এর আগে সোমবার টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ছোট্ট শহর ইটালিতে একটি স্কুলের ক্যাফেটেরিয়ায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর তারই সতীর্থ ১৫ বছরের এক মেয়েকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে অবশ্য তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গুলির শিকার মেয়েটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার অবস্থা উন্নতির দিকে।







