টানা অষ্টমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।
নিউইয়র্কের এই জ্যাকসন হাইটসকে বলা হয় মার্কিন মুলুকে এক টুকরো বাংলাদেশ। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিউইয়র্ক আগমন উপলক্ষে এই জ্যাকসন হাইটস সেজেছে ভিন্ন সাজে।
প্রতিবারের মতো এবারো প্রধানমন্ত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হবে। যার প্রস্তুতিও শেষ করেছেন প্রবাসীরা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট থেকে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার প্রবাসী ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন সেজন্য প্রবাসী বাঙালিদের কতটা গর্ববোধ হয় সেটাই জানান দেয়া হবে সংবর্ধনায়।
যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন জানান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমন্বয় করে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হবে এবার।
শুধু তাই নয় প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা, সুবিধা, প্রস্তাবনা তুলে ধরার চিন্তা রয়েছে অনুষ্ঠানে। তারা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রী এসব সমস্যার সামাধানও দিবেন।
সরকারী ও দলীয় সকল প্রস্তুতির মধ্যে স্থানীয় সময় বেলা তিনটায় কানাডা থেকে নিউইয়র্ক এসে পৌছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এয়ারপোর্টে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে স্বাগত জানিয়ে এয়ারপোর্ট এর বাইরে সমাবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন সহযোগি সংগঠন।
এয়ারপোর্ট থেকে সোজা পার্ক এভিনিউর ওয়াল্ডরফ এস্তোরিয়া হোটেলে গিয়ে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। নিউইয়র্কে অবস্থান কালীন এই হোটেলেই থাকবেন তিনি।








