ভালো শুরুর পরও বাংলাদেশের বিপক্ষে লড়াকু সংগ্রহ পায়নি শ্রীলঙ্কা। প্রথম ৫ ওভারে ৫৩ রান তোলার পরও দেড়শর কাছে যেতে পারেনি তারা। ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে এসে মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম বলেই উইকেট তোলার পর থেকে সব কিছুই যেতে থাকে বাংলাদেশের পক্ষে। বাঁহাতি পেসারের পাশাপাশি রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সহজ লক্ষ্য বাংলাদেশের সামনে।
ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা।
আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিলেন পাথুম নিশাঙ্কা। ব্যক্তিগত ফিফটি ছোঁয়ার আগে লঙ্কান ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন মোস্তাফিজ। ২৮ বলে ৪৭ রান করে ফিরেছেন এ ডানহাতি। তাতে স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশ দলে।
বিশ্বকাপে অভিযানে নিজেদের প্রথম ম্যাচে লঙ্কানদের রানের লাগাম টেনে ধরে বাংলাদেশ। ৫ ওভারে পঞ্চাশ পেরিয়ে যাওয়া শ্রীলঙ্কা ১০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৩ রানের বেশি করতে পারেনি।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন তাসকিন আহমেদ। চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ফেরেন ঢাকা এক্সপ্রেস। প্রথম দুই বলে কুশল মেন্ডিস বাউন্ডারি মারলেও তাসকিনের তৃতীয় বলে ব্যাটের কানায় লেগে স্টাম্প ভাঙে লঙ্কান ওপেনারের। ৮ বলে ১০ রান করে ফেরেন।
পাওয়ার প্লে’র শেষ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান সাফল্য পান নিজের প্রথম ওভারের প্রথম ডেলিভারিতেই। ৫ বলে ৪ রান করে মিড অফে তানজিম সাকিবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কামিন্দু মেন্ডিস। এরপর এ বাঁহাতি পেসার পান আরও এক সাফল্য। নিশাঙ্কাকে ফিফটি বঞ্চিত করে ম্যাচে ফেরান বাংলাদেশকে।
ডালাসের উইকেট দেখে বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর মনে হয়েছে শুরুতে বোলাররা মুভমেন্ট পাবেন। সে আশায় টসে জিতে আগে বোলিং বেছে নেন তিনি। রিস্ট স্পিনার রিশাদ দেখান দারুণ ভেলকি। পর পর দুই বলে উইকেট তুলে জাগান হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা।
মোস্তাফিজ ১৭ ও রিশাদ ২২ রান খরচায় তিনটি করে উইকেট নেন। তাসকিন পরে পান আরও একটি সাফল্য। নিজের ও ইনিংসের শেষ ওভারে একমাত্র শিকারের দেখা পান তানজিম সাকিব।
ধনাঞ্জয়া ২১, চারিথ আশালঙ্কা ১৯ ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ১৬ রান করেন। বাকি কেউ ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক।