মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচির আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন করবে মুক্তিযুদ্ধ সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম। রাত ১২ টা ১ মিনিটে স্বাধীনতার স্মৃতি বিজরিত স্থানেই এই কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সংগঠনটি।
৪৭তম স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবসকে সামনে রেখে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মোমবাতি প্রজ্বলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে।
এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তন প্রাঙ্গণে মোমবাতি প্রজ্বলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। অনুষ্ঠানে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম শপথ বাক্য পাঠ করান।
২৫ মার্চে কালরাতের সাক্ষী আবুল কালাম আজদ বলেন, সন্ধ্যা থেকেই সেদিন ঢাকার শহর থমথমে ছিলো । মূলত ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের দেয়া পর থেকেই ঢাকা উত্তেজিত ছিলো। কিন্তু ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানের সৈন্যরা ঢাকার শহরের বিভিন্ন জায়গায় নিরস্ত্র বাঙ্গালীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। রাজারবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,সদরঘাট এলাকায় ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায়। বাঙ্গালির পাক বাহিনীর মোকাবেলা করার তেমন কিছুই ছিলো না শুধু ছিল থ্রি-নট। বাঙ্গালীরা শুধু জয় বাংলা স্লোগান সামনে নিয়েই বঙ্গবন্ধুর ডাকে যুদ্ধে নেমে পড়েন। পরদিন সকালে জয়দেবপুর যাওয়ার সময় লাখ লাখ লাশ পড়ে থাকতে দেখেন এই মুক্তিযোদ্ধা।
আরেকজন নারী মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘আমরা দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছি, দেশের জন্য আমরা সম্ভ্রম হারিয়েছি। রক্ত দিয়ে যে স্বাধীনতা পেয়েছি সেই স্বাধীনতা রক্ষায় প্রয়োজনে আমরা আবার জীবন বাজি রাখতে প্রস্তুত আছি।’
বাঙালি জাতির জীবনে এক বিভীষিকাময় নেমে আসে। মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী কাপুরুষের মত তাদের পূর্বপরিকল্পিত অপারেশন সার্চলাইটের নীলনকশা অনুযায়ী আন্দোলনরত বাঙালিদের কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার ঘৃণ্য লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। দিনটি উপলক্ষে সেক্টর কমান্ডার্স গণহত্যা দিবস পালনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।








