ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় পরও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বেশিরভাগ গ্রাহক নিজের মোবাইলে ব্যাংক একাউন্ট না খুলে ওটিসি বা এজেন্টের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করছেন।
গবেষণা সংস্থা মাইক্রোসেভের গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, প্রাথমিক পর্যায়ে মোবাইল ব্যাংকিং সহজ করতে এ ব্যবস্থা চালু থাকলেও ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টদের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা এবং এ খাতের সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরে প্রতিবেদন প্রকাশ করে গবেষণা সংস্থা মাইক্রোসেভ। এশিয়া এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশর মোবাইল ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন সেবার মানের তুলনা করে সংস্থাটি।
মাইক্রোসেভ পরিচালক মনোজ শর্মা বলেন, যেহেতু এখানে কে কাকে টাকা পাঠাচ্ছেন-সেটা চিহ্নিত করা সম্ভব না তাই এখাতে অবৈধ লেনদেন হওয়ার সম্ভবনা থেকেই যায়।
ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার রেজাউল হোসেইন বলেন, আমাদের বাস্তবতা মেনে নিতেই হচ্ছে। আমাদের গ্রাহকদের একটা বড় অংশই অশিক্ষিত। অনেক গুলো ধাপ পেরিয়ে অনেকের পক্ষেই মোবাইল ব্যাংকিং করা সম্ভব নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে এটা আমাদের মেনে নিতেই হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, মোবাইল ব্যাংকিং দেশে জনপ্রিয় হওয়ায় ভবিষ্যতের কথা ভেবে এ খাতকে আরও আধুনিক ও মানসম্মত করা হবে। ১৯টি ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে।







