চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

মোনায়েম খানের উত্তরসূরিদের দায়িত্ব কেনো নিতে হবে!

শাশ্বতী বিপ্লবশাশ্বতী বিপ্লব
৮:৪২ অপরাহ্ণ ২১, জানুয়ারি ২০১৮
মতামত
A A

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জানি সব বিষয়ে আপনার পক্ষে নজরদারি করা সম্ভব না। তবুও আবার আপনাকেই লিখতে হচ্ছে। মাঝে মাঝে কোনো কোনো ঘটনায় আমাদের সেই ডুবন্ত মানুষটির মতো অবস্থা হয়, যাদের শেষ খড়কুটো হিসেবে আপনাকেই আঁকড়ে ধরা ছাড়া উপায় থাকে না।

কামাল হোসেন নামের পুরাণ ঢাকার আরমানিটোলার এক যুবককে আপনার মনে পড়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? সে ছিল আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সহ সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধু স্মৃতি চর্চা কেন্দ্রের শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক কামাল হোসেন। সে ১৯৯৪ সালের আগস্ট মাসে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লিখেছিলো “অগ্নিবার্তা” বইটি। আবার ১৯৯৭ সালের আগস্টে লিখেছিলো, “রাসেলের আর্তনাদ”। আপনাকে দিতে গিয়েছিলো সেই বই, আপনি নিয়েছিলেনও। সেই ছবি বাঁধানো আছে এখনো ফ্রেমে। কিন্তু সেই কামাল হোসেন আর নেই।

এই কামালকে গুলি করে মেরে ফেলেছিল কুখ্যাত মোনায়েম খানের মেয়ে জামাই এবং যুদ্ধাপরাধী সাকা চৌধুরীর চাচা শ্বশুর জাহাঙ্গীর আদেলের ছেলেরা। ২০০০ সালের ১৪ আগস্ট, পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে বাড়ির ছাদে পাকিস্তানের পতাকা উড়ানোর ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলো জাহাঙ্গীর আদেল পরিবার। এই ধৃষ্টতার প্রতিবাদ করেছিলো কামাল। ব্যানার হাতে মিছিল করেছিলো। যে ব্যানারে লেখা ছিলো, “স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে জাহাঙ্গীর আদেলের বাসায় পাকিস্তানের পতাকা উড়ছে কেন, প্রশাসন জবাব চাই।” আর সেই প্রতিবাদই কাল হয়েছিলো কামালের। পরদিন ১৫ আগস্ট এর কাঙ্গালি ভোজ শেষ করে বাড়ি ফেরার আগ মুহূর্তে আদেল পরিবার খোলা রাজপথে প্রকাশ্যে নির্মমভাবে গুলি চালায় কামালের উপর। বুকে ৮টি গুলি নিয়ে মারা যায় কামাল।

১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট এভাবেই বুকে ঘাতকের গুলি নিয়ে মারা গিয়েছিলেন এক কামাল,  আর ২০০০ এর ১৫ আগস্টে মারা গেলেন আরেক কামাল। কী আশ্চর্য, তাইনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!

বড় ভাই কামাল হোসেন বুকে আটটি গুলি নিয়ে ছুটে গিয়েছিলো ছোটভাই নাজির হোসেনের কাছে। কামাল হোসেন মারা যেতে যেতে বলেছিলো, ‘নাজির তুই পালায়া যা’। না, সেই ছোটভাই নাজির পালায়নি। বড় ভাইয়ের স্মৃতি একজোড়া জুতা বুকে চেপে হত্যার বিচার চাইছে ১৮ বছর ধরে। ছুটে বেড়িয়েছে আদালতপাড়া। মামলার খরচ যোগাতে গিয়ে বেঁচে দিতে হয়েছে পুরাণ ঢাকার দুটো বাড়ি। তবুও ন্যায়বিচার মেলেনি। চোখের সামনে ভাইকে গুলি করতে দেখা খুনিরা পেয়েছে বেকসুর খালাস। যদিও সিআইডির ব্যালিস্টিক রিপোর্টে স্পষ্ট লেখা আছে, জাহাঙ্গীর আদেলের লাইসেন্স করা বন্দুকের বাম ব্যারেলের গুলিতেই মারা গেছেন কামাল।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সেই কুখ্যাত আদেল পরিবারের দুই সহোদর সাজেক আদেল ও তারেক আদেল, যারা সরাসরি কামাল হোসেনের উপর গুলি চালিয়েছিলো, তাদের মনোনীত করা হয়েছে হকি ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটিতে। আর এই মনোনয়ন কে দিয়েছেন তা জানা আপনার জন্য খুব কঠিন কাজ না, কাগজপত্র তলব করলেই পেয়ে যাবেন। জেনে যাবেন, তার পারিবারিক পরিচয় ও আপনার দলে তার অবস্থান।

Reneta

প্রথমে কথাগুলো আমারও বিশ্বাস হয়নি কথাটা, ভেবেছিলাম ভুল শুনেছি। কিন্তু আমি ভুল শুনিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দলের আমলে, সেই দলের একজন প্রভাবশালী প্রতিনিধি এই স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসনে সহযোগিতা করছেন! এই দুঃখ, এই হতাশা আমরা কোথায় রাখবো?

আদেল পরিবারের সেই ধৃষ্টতা কোনো লুকানো ঘটনা নয়, ছাপা হয়েছিলো প্রায় প্রতিটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায়। তারপরও কেমন করে তারা আওয়ামীলীগের সমর্থন পেতে পারে? যখন এইদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়, তখন কিভাবে রাজাকারের বংশ পুনর্বাসিত হয়? আমরা এই সিদ্ধান্তের, এই পুনর্বাসনের প্রক্রিয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বেসরকারি একটি টিভিতে নাজির হোসেনের আর্তনাদ প্রচারিত হয়েছে। উঠে এসেছে ঘটনার নানাদিক, যা আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন বলেই আমার বিশ্বাস। বিষয়টি প্রতিকার করুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

নাজির হোসেনের বক্তব্য:
“প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করছি, আমাদের একটু সহযোগিতা করেন। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের পরিবার। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। আমাদের কি এই অপরাধ? আমাদের কেউ খবর নেয়নি।

মুক্তিযুদ্ধের লোক যদি তাদেরকে বড় বড় প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠিত করে, আমার ভাইয়ের আত্মার কষ্ট হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমি আপনার কাছে বিচার চাই।

রাষ্ট্রের জন্য যদি আমার ভাই জীবন দেয়, আমরা যদি পুরাণ ঢাকার দুইটা বাড়ি বিক্রি করে মামলা চালাই, রাষ্ট্রের কি সম্মান নাই? এখন রাষ্ট্র কি রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা, কামাল হত্যার মামলা পরিচালনা করতে পারে না?”

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: মতামত
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

লাল-হলুদ কার্ডের কাহিনীতে জড়িয়ে আন্তোনিও রাতিন, ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বৈরিতার শুরু যেখানে

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে ঢাবির টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের সহযোগিতা চুক্তি

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সংস্কৃতি ও জনপদের এক অনন্য দলিল ‘চ্যানেল আই অনলাইন’

জুলাই ১৩, ২০২৬

আসমা আল-আসাদ: লন্ডন থেকে সিরিয়ার রক্তাক্ত রাজনীতি ও ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে

জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘সৌদিতে অপরাধে জড়িত প্রবাসীদের ছাড় নয়’

জুলাই ১৩, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT