ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরে নৌ- পরিবহন বা উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তি হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ডক্টর গওহর রিজভী মনেকরেন, এ চুক্তি দু’দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন ও সমুদ্র বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
মোদির বাংলাদেশ সফরের আগে দেশের সমুদ্র সম্পদের অর্থনৈতিক দিক নিয়ে মেট্রোপলিটান চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং দ্য চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অফ লজিস্টিকস এন্ড ট্রান্সপোর্ট বাংলাদেশ কাউন্সিল-এর একটি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এ আলোচনায় উঠে আসে বাংলাদেশের সমুদ্র পথ নিয়ে নানা সম্ভাবনার কথা।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, কোস্টাল শিপিং এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত উপকূলে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে খরচ কমানোর পাশাপাশি কম সময়ে পণ্য পরিবহন করা যাবে।
তিনি বলেন, এই এলাকাটা অংশীদারত্বকে সমর্থন করে। এছাড়া আমরা কোথাও যেতে পরবো না। অংশীদারত্বের মাধ্যমে সাগর অর্থনীতি সফল হতে পারবে।
জাহাজ শিল্পের উন্নয়নে আরো গবেষণা প্রয়োজন মন্তব্য করে গওহর রিজভী বলেন, আমাদের এখানে ‘ব্লু’ অর্থনীতির বিশাল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কাজটি করতে হবে তা হলো এই বিষয়ে মানুষকে জানাতে হবে। এ জন্য একজন রিসার্চ বিশেষজ্ঞের উন্নয়ন ঘটানো এবং ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া খুবই জরুরি।
আমাদের জীনেই রয়েছে নদী এবং সাগর এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখানে সরকারের তরফ থেকে সামান্য উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে অনেক দূরে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে। যেমন আমাদের শিপ বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে হয়েছে।
অনুষ্ঠানে দেশের অগ্রগতির জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ নেওয়া হলে বাংলাদেশ সামনের দিনগুলোতে আরো ভালো করবে বলে আশা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ী নেতারা।







