পানামা পেপারস কেলেঙ্কারি ঘটনায় আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মোস্যাক ফনসেকার প্রধান কার্যালয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায় কিনা সেজন্য মঙ্গলবার রাতে পানামার অ্যাটর্নি জেনারেল এই তল্লাশি চালান বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পানামা সিটিতে অবস্থিত মোস্যাক ফনসেকার তথ্য ফাঁস হওয়ার পর, যা পানামা পেপারসের নামে খ্যাতি পেয়েছে, বিশ্বের বহু নেতা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন এবং অফশোর কোম্পানির নামে কর ফাঁকির বিষয়টিও বেরিয়ে এসেছে।
এর আগে পানামার জাতীয় পুলিশের দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি কোনো অবৈধ কাজে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখতে তারা তল্লাশি চালাচ্ছে।
মোস্যাক ফনসেকার বিরুদ্ধে কর ফাঁকি ও প্রতারণার অভিযোগ এসেছে। ইতোমধ্যেই মোস্যাক ফনসেকার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে এল সালভাদর কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার বিকেল থেকেই পুলিশ কর্মকর্তারা আর পেট্রোল কার কোম্পানির ভবনের চারপাশে জড়ো হতে শুরু করে। এতে নেতৃত্ব দেন সংঘটিত অপরাধ ও মুদ্রা পাচার বিশেষজ্ঞ প্রসিকিউটর জাভিয়ার কারাভালো।
এ বিষয়ে অফশোর কোম্পানি প্রতিষ্ঠায় বিশেষায়িত মোস্যাক ফনসেকা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
তবে এর আগে ফার্মটির প্রতিষ্ঠাতা র্যামন ফনসেকা দাবি করেন যে তার ৪০ বছরের পুরনো কোম্পানিটি কোনো আইন ভঙ্গ করেনি, কোনো ডকুমেন্ট ধ্বংস করেনি এবং তাদের কার্যক্রম বৈধ।
মোসাক ফনসেকার ১ কোটি ১৫ লাখ ডকুমেন্ট ফাঁসের পর বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো ধনী ও ক্ষমতাধরদের সম্ভাব্য আর্থিক অনিয়ম তদন্ত শুরু করেছে।








