গাজী গ্রুপের বিপক্ষে আগের ম্যাচে করেছিলেন অপরাজিত ১৩৭ রান। সোমবার করলেন ১০৮। ফলাফল একই। মেহেদী মারুফের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতির বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে লিজেন্ড অব রূপগঞ্জ। খেলাঘরকে ৫ উইকেটে হারায় নাঈম ইসলামের দল।
প্রথমে ব্যাট করে মাত্র তিন উইকেট হারিয়ে ২৬৪ রান করে খেলাঘর। জবাব দিতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ১১৮ রান তুলে শুরুতেই খেলাঘরকে ম্যাচ থেকে দূরে সরিয়ে দেন মারুফ ও মোহাম্মদ নাঈম। ৭৩ বলে নয়টি চার ও এক ছক্কায় ৭২ রান করেন নাঈম।
ওয়ানডাউনে নেমে ভালো করার আভাস দিয়েছিলেন মুমিনুল হকও। কিন্তু মঈনুল ইসলামের দারুণ এক ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হয়ে যান তিনি। ফেরার আগে করেন ২৬ রান। মুমিনুলের পরপরই ৮ রান করা শাহারিয়ার নাফিস সাজঘরে ফিরলে কিছুটা চাপে পড়ে দল।
সেই চাপ আর চওড়া হতে দেননি মারুফ। নিজের সেঞ্চুরির সঙ্গে দলকে নিয়ে যান জয়ের একেবারে কাছে। ১৩৪ বলে আট চার ও দুই ছক্কায় ১০৮ রানে। তিনি যখন আউট হন তখন জয় থেকে মাত্র ২৬ ধাপ দূরে দল।
পরে জাকের আলিকে সঙ্গে নিয়ে বাকি কাজটা সহজেই শেষ করেন অধিনায়ক নাঈম ইসলাম। ২২ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক। তার সঙ্গী জাকের ১২ বলে করেন ১৮ রান। আর চার বল বাকি থাকতে জয় তোলে রূপগঞ্জ।
খেলাঘরের হয়ে মঈনুল ইসলাম নেন তিন উইকেট। এছাড়া রবিউল হক ও মাসুম খান নেন একটি করে উইকেট।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ৪৭ রান তোলার পর আউট হন সাদিকুর রহমান। আগের ম্যাচে ৫৮ রান করা সাদিকুর এদিন আউট হন ১৯ করে। তবে আগের ম্যাচে ১৭ রান করা রবিউল ইসলাম রবি এদিন হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। ৮৭ বলে তিনি করে ৫৩ রান।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে ১৩১ রান তুলে দলকে বড় স্কোরের দিকে নিয়ে যান অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ও অশোক মেনারিয়া। অঙ্কন ৯৯ বলে সাত চার ও দুই ছক্কায় ৭৭ রান করেন।
আর ৭৯ বলে সাত চার ও দুই ছক্কায় ৮৭ রান করে অপরাজিত থাকেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান অশোক। মঈনুল ইসলাম ৮ বলে ১৩ রান করলে ২৬৪ রানের লড়াইয়ের পুঁজি পায় খেলাঘর।
রূপগঞ্জের হয়ে শুভাশিষ রয়, মুক্তার আলি ও ঋষি ধাওয়ান প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।







