আব্দুর রাজ্জাকের ৬০০ উইকেট শিকারের কীর্তির ম্যাচে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেছেন খুলনার অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে রংপুরের বিপক্ষে বিপর্যয়ের মাঝে রুবেল হোসেনকে নিয়ে নবম উইকেট জুটিতে তার গড়া ১৩৩ রান খুলনাকে প্রথম ইনিংসে এনে দিয়েছে লিডও।
৮০ রানে ৮ উইকেট হারানো খুলনাকে পথ দেখান মেহেদী। খেলেন ১১৯ রানের ইনিংস। ১৫০ বলের ইনিংসে ছিল ১৫ চার ও একটি ছয়ের মার। পেসার রুবেল অপরাজিত থাকেন ৩৬ রানে। তাতে শেষপর্যন্ত খুলনা প্রথম ইনিংসে তোলে ২৩৩।
রংপুরের পেসার রবিউল হক নিয়েছেন ৫ উইকেট। মুকিদুল ইসলাম ও সাজেদুল ইসলাম নিয়েছে দুটি করে উইকেট।
প্রথম স্তরের ম্যাচে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজ্জাকের ঘূর্ণি জাদুতে ২২৪ রানে গুটিয়ে যায় রংপুর। মাইলফলকে নাম লেখানো খুলনার এ বাঁহাতি স্পিনার একাই নেন ৭ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসেও তোপ দাগাচ্ছেন তিনি।
পড়ন্ত বিকেলে রংপুরের দ্বিতীয় ইনিংসে রাজ্জাক তুলে নিয়েছেন আরও ৩ উইকেট। ম্যাচে এগারবার ১০ উইকেট শিকার হল রাজ্জাকের। তৃতীয় দিন শেষে রংপুরের সংগ্রহ ৪ উইকেট হারিয়ে ৬৭।
কক্সবাজারে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় ঢাকা বিভাগের দুই ব্যাটসম্যান শুভাগত হোম (৯২*) ও তাইবুর রহমান (৯৩*)। রাজশাহীর বিপক্ষে তাদের পঞ্চম উইকেট জুটি অবিচ্ছিন্ন থেকে যোগ করে ১৮০ রান। ৬ উইকেট হাতে রেখে প্রথম ইনিংসে ৫৪ রানের লিড তাদের।
প্রথম ইনিংসে রাজশাহী করে ২৩০। জবাবে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান তুলেছে ঢাকা।
চট্টগ্রামে দ্বিতীয় স্তরের অন্য ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে জয় দেখছে ঢাকা মেট্রো। সোমবার ম্যাচের চতুর্থ দিনে ২১৬ রানের মধ্যে চট্টগ্রামের ৭ উইকেট তুলে নিতে পারলে ইনিংস ব্যবধানে জিতে যাবে মেট্রো। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নামা দলটি ৯৬ রানে হারিয়েছে ৩ উইকেট। পিনাক ঘোষ অপরাজিত আছেন ৫০ রানে।
সাদমান ইসলামের ১৭৮ রানের ইনিংসের পর ৪০৩ রান তোলে ঢাকা মেট্রো। জবাবে চট্টগ্রাম গুটিয়ে যায় মাত্র ৯১ রানে। শরিফউল্লাহ চারটি ও তাসকিন আহমেদ নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট।
কক্সবাজারের আরেকটি মাঠে দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে সুসংহত অবস্থায় আছে সিলেট। বরিশালকে ১৬২ রানে অলআউট করা সিলেট প্রথম ইনিংসে করে ৩২২। ১৬০ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে বরিশাল তুলেছে এক উইকেট হারিয়ে ১২ রান। এখনও ১৪৮ রানে পিছিয়ে তারা, হাতে ৯ উইকেট।








