চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনার বিপক্ষে একটি দুর্দান্ত ম্যাচ খেলার পর ‘নতুন মেসি’র তকমা পান পাওলো দিবালা। ধীরে ধীরে তার তুলনা শুরু হয় হালের অন্য দুই মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং নেইমারের সঙ্গেও। কিন্তু এই তুলনাই দিবালার জন্য কাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। জুভেন্টাসে তার কোচ ম্যাস্সিমিলিয়ানো অ্যাল্লেগ্রি অন্তত এমনটাই মনে করেন।
দুটি হ্যাটট্রিক দিয়ে চলতি সিরি আ’র মৌসুম শুরু করেছিলেন দিবালা। তখন থেকেই বলাবলি, ব্যালন ডি’অর জয়ের ক্ষেত্রে মেসি-রোনালদোর আধিপত্য ভাঙতে পারেন এই আর্জেন্টাইন।
ওই দুই হ্যাটট্রিকের পরই অনেকটা ফিউজ ব্যাটারি মত হয়ে যান দিবালা। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সিরি আ’তে গোল করেছেন মাত্র একটি। যার ফলে দলের সেরা একাদশেও অনিয়মিত হয়ে পড়েছেন।
এরমধ্যই আবার দিবালাকে দলে পাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ইউরোপের বড় বড় কয়েকটি ক্লাব। সবশেষ খবর, মেসির আর্জেন্টাইন সতীর্থকে দলে ভেড়াতে ৭০ মিলিয়ন ইউরো নিয়ে প্রস্তুত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কিন্তু তাকে ছাড়তে নারাজ কোচ অ্যাল্লেগ্রি।
বেঞ্চে বসিয়ে রাখলেও দিবালার প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ নেই জুভ কোচের, ‘তার (দিবালা) সঙ্গে সম্পর্কে কোনও পরিবর্তন হয়নি। সে তিন বছর আগে জুভেন্টাসে এসেছে এবং যথেষ্ট উন্নতিও করেছে।’
‘জুভেন্টাস তার দক্ষতার উপর আরও বেশি জোর দিচ্ছে এবং সে জুভেন্টাস অনেক দিয়েছেন। আমার মতে, এখনও তার উন্নতি অনেক জায়গা রয়েছে।’
দিবালার ফর্ম নিয়ে অ্যাল্লেগ্রি বলছেন, মেসি-রোনালদো ও নেইমারের সঙ্গে তুলনাই তার ক্ষতি করছে, ‘মৌসুমের শুরু থেকে তুলনায় তার ক্ষতি হয়েছে। ২৪ বছরের এক তরুণকে আপনি ফুটবলের দুই বিস্ময়কর তারকার সঙ্গে তুলনা করতে পারেন না; যারা দুজনে মিলে ১০টি ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। তবে সৌভাগ্য যে, দিবালা স্মার্ট এবং এই বিষয়টি বুঝতে পারে।’
নেইমারের প্রসঙ্গ তুলে জুভ কোচের ভাষ্য, ‘নেইমার, সে তো মেসি-রোনালদোর খুব কাছাকাছি। সুতরাং দিবালাকে তার নিজের পথে হাঁটতে দিতে হবে, কারো সঙ্গে তাকে তুলনা করা ঠিক হবে না। বরং অন্যদের চেয়ে তার আলাদা কি আছে সেটা খোঁজাই ভাল।’








