মিরপুরের উইকেট নিয়ে যখনই প্রশ্ন ওঠে চলে আসে গামিনি ডি সিলভার নাম। শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের শ্রীলঙ্কান কিউরেটর ২০০৯ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে। তার কাজ নিয়ে একচেটিয়া সমালোচনা থাকলেও দেশে বিদেশি কিউরেটর সংকটের কারণে টিকে যাচ্ছেন তিনি।
নতুন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ বিতর্কিত কিউরেটরকে ছাটাই করছেন না বলে জানা গেছে। বিশ্বস্ত একটি সূত্রে জানা গেছে গামিনি নিজেই বিসিবি সভাপতির সঙ্গে দেখা করেন। বোর্ডের মনঃপুত না হলে চাকরি ছাড়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন বলে ফারুককে জানান।
বাধ্য হয়ে তাকে ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। আগের চুক্তির মেয়াদ শেষ করেই যাবেন তিনি।
নানা বিতর্কের পরও গামিনির টিকে যাওয়ার কারণ কিউরেটর সংকট। গামিনি ছাড়া অভিজ্ঞ কেউ নেই বললেও চলে। মেয়েদের এশিয়া কাপে ভালো উইকেট করতে না পারায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কিউরেটর সঞ্জীব আগারওয়ালকে সরিয়ে দেয়া হয়।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর প্রভিন হিঙ্গানিকর বিসিবির চাকরি ছাড়েন। ছুটি কাটাতে নিজ দেশে গিয়ে সড়ক দুর্ঘনায় স্ত্রীকে হারান এই ভারতীয়। নিজেও মারাত্মক আহত হয়েছেন। ফলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন হিঙ্গানিকর। পরে আর বাংলাদেশে ফেরেননি তিনি।
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্রধান গ্রাউন্ডসম্যান মো. আব্দুল আল মামুনকে প্রধান কিউরেটর নিয়োগ দিয়েছে নেপাল ক্রিকেট। আরও কয়েকজন সহকারী কিউরেটরও বিদেশে কাজের প্রস্তুাব পাচ্ছেন। ভালো বেতনের আশায় বিদেশে পাড়ি জমানোর অপেক্ষায় রয়েছেন আরও কয়েকজন।
অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি কিউরেটর টনি হেমিং চুক্তির মেয়াদ শেষ না করেই বিসিবির চাকরি ছাড়েন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডে (পিসিবি) যোগ দেন তিনি। বিসিবিতে গামিনি একাই কেবল বিদেশি কিউরেটর।








