সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৫১ রানের বিশাল জয়ে বড় ভূমিকা কাটার বয় মুস্তাফিজ এবং অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহর। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনেও স্বাভাবিকভাবে এলো তাদের নাম। ক্যাপ্টেন ম্যাশও প্রশংসায় ভাসালেন তাদের।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে দলে সব সময় মাহমুদউল্লাহর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাহমুদউল্লাহ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সেও জানে দলে তার ভূমিকা কী।
‘অনেক সময় টিম চাপে থাকলে সে ব্যাটিংয়ে আসে। ওই সময় বেস্ট খেলাটা না খেলতে পারলে ওকে নিয়ে সমালোচনা হয়। টপ অর্ডারে রান না করলে ওর ওপরে পুরো প্রেসারটা চলে আসে। আজকেও সেই ঘটনাটা ঘটেছিলো। সে সব সময়ই তার দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন।’
এশিয়া কাপের প্রথম থেকেই পিচে রান নেই। সামনে ভারতের মাটিতে টি২০ বিশ্বকাপ মাথায় রেখেই এটি করা হয়েছে বলে জানালেন মাশরাফি।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের ভারতে তেমন একটা খেলার অভিজ্ঞতা নেই। সাকিব আইপিএলের কারণে কিছু ম্যাচ খেলেছে। কিছুদিন আগে ‘এ’ টিমের সফর ছিলো, সেখানেও কয়েকজন খেলেছে। আমাদের উইকেটটা ওভাবেই তৈরী হচ্ছে। এবারের আসর থেকে ওদের পেস অ্যাটাক থেকেও অভিজ্ঞতা নিতে পারি।
তবে আজ রান কম হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা ১৫০ এর মতো রান করতে পারতাম। যে পার্টনারশিপ তৈরী হয়েছিলো আমরা ১৪০ থেকে ১৫০ রান করতেই পারতাম।
সাকিবের ফর্মে ফেরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাকিব আমাদের অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। ও যে জায়গাটায় ব্যাট করে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
‘আপনারা দেখবেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষের প্রথম ম্যাচটা ওই বের করে নিয়ে এসেছে। তবে, ও এতোদিন তিনে খেলেছে। এখন ওর জায়গায় সাব্বির খেলছে। পাঁচে ব্যাট করাটা ওর জন্য একটু কঠিনও হতে পারে। কারণ ওই পজিশনে টি২০তে কখনও খেলেনি। আসলে টিমের কথা ভেবেই ও খেলে।
ভারতের বিপক্ষে জ্বলে ওঠতে না পারলেও আমিরাতের বিপক্ষে দেখা গেছে মুস্তাফিজ ঝলক। মাশরাফি বলেন, আগের ম্যাচে যেটা হয়েছে সেটাও রিয়েলিটি।
‘ওতো আর প্রতি ম্যাচেই পারফর্ম করবে না। আগের ম্যাচে যেটা হয়েছে সেটা যেমন স্বাভাবিক আবার আজ যেটা করেছে সেটাতে ও ওর মানসিক শক্তির জায়গাটা দেখিয়েছে।’







