আইপিএলে প্লে-অফ খেলার পথে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে ৭ উইকেট হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে ডেভিড ওয়ার্নারের দল। ১৮০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দুই বল বাকি রেখেই জয় নিশ্চিত করে হায়দরাবাদ।
শেষ ওভারে মুস্তাফিজদের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৯ রান। তবে মোহিত শর্মা প্রথম বলেই ওয়াইড দিয়ে লক্ষ্য নিয়ে আসেন আট রানে। পরের বলে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে বিশাল ছ্ক্কা হাঁকান যুবরাজ।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হায়দরাবাদের দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও শিখর ধাওয়ান পাওয়ার প্লেকে কাজে লাগিয়ে ছয় ওভারের মধ্যেই ৫০ রান তুলে নেয়।
দলীয় ৬৮ রানের মাথায় দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউটের শিকার হন শিখর ধাওয়ান (২৫)। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে দীপক হুদাকে নিয়ে আক্রমণ শাণিয়ে যায় ওয়ার্নার। ওয়ার্নার তুলে নেয় আইপিএলের ষষ্ঠ হাফ সেঞ্চুরি, দলীয় ৯৭ রানে কভারে ঠেলে রান নিতে গিয়ে হিট উইকেট হয়ে সাজঘরে ফেরত যান তিনি। ওয়ার্নার ৪১ বলে পাঁচটি চার ও একটি ছয়ে করেন ৫২ রান।
ওয়ার্নার যখন প্যাভিলনে ফিরে যায় তখন হায়দরাবাদের জয়ের জন্য দরকার ৪৭ বলে ৮২ রান। এমন বড় লক্ষ্যকে এক প্রকার মামুলী লক্ষ্য বানিয়ে ফেলেন যুবরাজ সিং ও দীপক হুদা।
দলীয় ১৪০ রানে হুদা (৩৪) করে আউট হলেও চার ছক্কা চালিয়ে যান যুবরাজ সিং। যুবরাজ ২৪ বলে তিনটি চার ও দুটি ছয়ে করেন ৪২ রান। কাটিং করেন ২১ রান।
এরআগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেটে ১৭৯ রান করেন।
গত ম্যাচে খেই হারানো কাটার মাস্টার আজকের ম্যাচে প্রথম ওভারেই তুলে নেন মুরালি বিজয়ের উইকেট। দলীয় ৩৩ রানে মুস্তাফিজের স্লোয়ার বল বুঝতে না পেরে মিড অফে ওয়ার্নারের কাছে তালুবন্দী হয় মুরালি বিজয়। মুস্তাফিজ চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে একটি উইকেট শিকার করেন।
মুরালি বিজয়ের আউটের মধ্য দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে উইকেটের হাফ সেঞ্চুরি করেন কাটার মাস্টার মুস্তাফিজ। এরপর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে হাশিম আমলা ও ঋদিমান সাহা ৫৯ রান যোগ করেন। সাহাকে (২৭) রানে প্যাভিলনে ফেরত পাঠান হেনেরিক।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে গুরকিরাত সিং ও আমলা ৬৫ রান যোগ করেন। গুরকিরাত (২৭) রান করে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে বোল্ড হন। তবে পাঞ্জাবের হয়ে একাই লড়ে গেছেন আরেক ওপেনার হাশিম আমলা। তিনি মাত্র ৫৬ বলে ১৪টি চার ও দুটি ছয়ে ৯৬ রান করেন।
শেষদিকে ডেভিড মিলারের ৯ বলে ২০ রান পাঞ্জাবকে ১৭৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর করতে সহায়তা করে।







